প্রথম আলো অনুসারে, ২৯ বছর বয়সী অফ‑স্পিনার আলিস আল ইসলাম শারজায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং এশিয়ান গেমসের টি‑২০ দুটো ফরম্যাটে একসাথে ডেবিউ করেন। তবে ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তার বোলিং অ্যাকশনে সন্দেহ উত্থাপিত হয়েছে এবং আইসিসি (ICC) এখন তার অ্যাকশন পরীক্ষা করবে।
আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত বিধিমালা অনুসারে, স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে ফলাফল নির্ধারিত হবে; যদি অবৈধ প্রমাণিত হয়, তবে আলিসের আন্তর্জাতিক বোলিং সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হবে এবং তিনি সংশোধন না করা পর্যন্ত আবার বোলিং করতে পারবেন না।
পূর্বের সমান ঘটনা
আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তেমন নতুন নয়। ২০১৯ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) তে তার ডেবিউ ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পরই অ্যাকশন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ পায়; একই বছরে অক্টোবর মাসে তিনি পরীক্ষা দিয়ে অনুমোদন পান। গত বছরও বিপিএলে একই ধরনের প্রশ্ন উঠে, তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পুনরায় পরীক্ষা পাস করেন।
দেশ রূপান্তর এবং বাংলা ট্রিবিউনসহ অন্যান্য মিডিয়ার রিপোর্টে একই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। দেশ রূপান্তর "রহস্য স্পিনার" শব্দটি ব্যবহার করে আলিসের ওপর অভিযোগের কথা জানায় এবং আইসিসির ২৯ বছর বয়সী আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের কথা তুলে ধরে। বাংলা ট্রিবিউন ২১ অক্টোবর শারজায় অনুষ্ঠিত ওয়ানডে ম্যাচের পরে আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনের তথ্য দেয়।
প্রথম আলো এই সব তথ্যের ভিত্তিতে জানাচ্ছে যে, আইসিসি এখন আলিসের বোলিং অ্যাকশনকে স্বীকৃত পরীক্ষাকেন্দ্রে মূল্যায়ন করবে এবং ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তার আন্তর্জাতিক বোলিংয়ের অনুমতি নির্ধারিত হবে।






