সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত থেকে সরকারি স্তরে (জিটুজি) আমদানি করা ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত পদার্থ আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। গত ২১ জুলাই এমভি এইচটি পাইওনিয়ার জাহাজে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানো এই চালের নমুনা ২২ জুলাই খাদ্য অধিদপ্তরের পাঁচ সদস্যের দল সংগ্রহ করে এবং ২৪-২৫ জুলাই প্রারম্ভিক পরীক্ষায় খাবার উপযোগী ঘোষণা করে খালাস করা হয়।
পরে এই চালের অংশগুলো ঢাকার তেজগাঁও, চট্টগ্রামের হালিশহর ও দেওয়ানহাট সিএসডি এবং গাজীপুরের জয়দেবপুর এলএসডিতে পাঠানো হয়। গুদামে পৌঁছানোর পর কর্মকর্তারা চালের মান নিম্ন দেখে আপত্তি জানান এবং পরিবহন ঠিকাদাররা পরিবহন বন্ধ রাখেন। খাদ্য সচিব ও মহাপরিচালকে লিখিত জানানো হয়।
গত ১৭ আগস্ট গাজীপুর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড. শরীফা সুলতানা দীপ্তির নেতৃত্বে দল হালিশহর ও দেওয়ানহাট সিএসডি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। পরীক্ষায় হালিশহর সিএসডির ১৩৫ টন চালে আফলাটক্সিন পাওয়া যায়। খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জসিম উদ্দিন খানের নির্দেশে সাড়ে ৯ হাজার টন চালের বিতরণ স্থগিত রেখে পরীক্ষা করা হয়। বাকি চাল নিয়ম মেনে বিতরণ করা হয়েছে বলে হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ ও দেওয়ানহাট সিএসডির ব্যবস্থাপক হামিম রহমান জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের নিয়ন্ত্রক রেজোয়ান সাকিব বিষয়টি নিশ্চিত করে আরও পরীক্ষার জন্য কমিটি গঠন জানান। বিশেষজ্ঞরা আহ্বান জানাচ্ছেন, আফলাটক্সিনযুক্ত খাবার দীর্ঘদিন খাওয়া লিভার ক্ষতি ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়াতে পারে। প্রাথমিক পরীক্ষায় উপযোগী ঘোষণা পাওয়ার পরেও কীভাবে আফলাটক্সিন পাওয়া গেল, তা তদন্ত চলছে।






