সমকাল অনুসারে, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত দেশের সাতটি জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জনের প্রাণ শেষ হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী‑শিশু, ব্যবসায়ী, পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা অন্তর্ভুক্ত।
ফরিদপুরে ঢাকা‑খুলনা মহাসড়কে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় মা‑ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে; মৃত হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পলাশ মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগম (৩২) ও তাঁর সন্তান শাওন (৭), আর ইজিবাইক চালকের নাম প্রকাশিত হয়নি। পাঁচজন গুরুতর আহত হন, যাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
একই দিন মধুখালী উপজেলার ঢাকা‑খুলনা মহাসড়কে বাস‑অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন; মৃত হলেন মো. রাব্বি মোল্লা (২১), নূর মোহাম্মদ আরিক (২৯) ও ঐশী খাতুন (২৫)। চারজন আহত, তাদের মধ্যে মালিগ্রাম থেকে আসা সাগর বিশ্বাস (২২), রিয়া খাতুন (২১) ও মোহাম্মদ জয় শেখ (২৩) অন্তর্ভুক্ত।
মাদারীপুরে পুলিশ রেকারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ব্যবসায়ী সেলিম হাওলাদার (বয়স অজানা) নিহত হয়েছেন; পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাহাঙ্গীর আলমের মতে, গাড়ি চালকের ঘুমের কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে বাসচালকের সহকারী মিঠুন আলী (৪০) নিহত এবং অন্তত দশজন আহত হয়েছেন।
পঞ্চগড়ের বোদায় ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানের আরোহী জুলেখা বেগম (৫৫) নিহত হয়েছেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের চাপায় পুলিশ এসআই মিজানুর রহমান (৩০) ও বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৪৫) নিহত, আর দুইজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
কক্সবাজারের চকরিয়ায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাস‑পিকআপ সংঘর্ষে চালক ইয়াসিন (২৮) ও সহকারী আবদুল্লাহ (১৮) নিহত হয়েছেন।
পাবনা সদরের জালালপুরে রাত ৮টার দিকে দুটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নয়ন মিয়া (২০) ও সেলিম মাহমুদ (৪০) নিহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, কিছু ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। (তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা)






