বাসস জানিয়েছে, জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, জলজ জীববৈচিত্র্যের টেকসই সংরক্ষণ এবং জাতীয় আমিষের চাহিদা পূরণে দেশব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে জাটকা আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ এবং আড়ৎ বা খুচরা বাজারে ক্রয়-বিক্রয়ে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই আইনি নির্দেশনা ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে, যা ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ইতিপূর্বে সফল মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের পর নদীতে জন্ম নেওয়া পোনাগুলো নিরাপদে বড় হওয়ার সুযোগ পেলে আগামী মে-জুন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ইলিশে পরিণত হবে। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, ২৫ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চির চেয়ে ছোট জাটকা ধরা বা কেনাবেচা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই প্রবিধান লঙ্ঘন করলে সর্বনিম্ন ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে।

আইন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত, যৌথ টাস্কফোর্স, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি কাজ করছে। পাশাপাশি, নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের জীবনযাত্রা সচল রাখতে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২০টি জেলার ৯৬টি উপজেলার লক্ষাধিক নিবন্ধিত জেলে পরিবারকে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে বলে বাসস পরিবেশিত খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।