প্রথম আলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন বৃহৎ আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী গঠন করছে। পরিকল্পিত আক্রমণে ইরানের পারমাণবিক সুবিধা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভান্ডার এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদন এখনও নিশ্চিত নয়, তবে ইরান যে কোনো ধরনের আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় দৃঢ় সাড়া দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই তথ্যটি নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে স্বল্প সময়ের মধ্যে তীব্র আক্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র‑ইসরায়েলের পূর্বের বড় আক্রমণে লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায়, নতুন পরিকল্পনা টানা তিন দিন ব্যাপক আক্রমণ চালানোর ধারণা নিয়ে গঠিত।
ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে, নেতানিয়াহু রামলা শহরের একটি শপিং মলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন; নির্বাচনের তারিখ ১৯ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর ২০২৬ নির্ধারিত। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, নতুন আক্রমণ পরিকল্পনা ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
ইরানের কর্মকর্তারা নতুন আক্রমণ হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজ, জ্বালানি অবকাঠামো, ডেটা সেন্টার এবং সমুদ্রতলের ইন্টারনেট কেবলেও আঘাতের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন। হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার ফলে, সৌদি আরব থেকে জরুরি নয় এমন মার্কিন কর্মী ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ওয়াশিংটন দিয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ মিসাইল সিস্টেম নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, তবে ইরান পারমাণবিক বিষয়গুলোতে কোনো ছাড় দিতে ইচ্ছুক নয়।
এই তথ্যগুলো প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে।






