ঢাকা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়াম জ্বালানির দ্বিতীয় শিপমেন্ট বুধবার সকাল ১০:০৩ টায় প্রকল্প সাইটে পৌঁছেছে। কনভয়টি ঢাকা থেকে ইশ্বরদী পর্যন্ত ৪:৫৬ টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রওনা হয় এবং পথে বিভিন্ন স্থানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

সুরক্ষা ব্যবস্থার বিবরণ

ঢাকা ট্রিবিউন উল্লেখ করেছে যে, সেনাবাহিনী, পুলিশ, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা শিপমেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জড়িত ছিল। তদুপরি, রওনা পথে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও কৌশলগত স্থানে আইন প্রয়োগকারী কর্মী মোতায়েন করা হয়। শিপমেন্টটি টুয়েডে রাতের ফ্লাইটে বিমানবন্দরে পৌঁছায় এবং বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (বিএইএআরএ) শিপমেন্টের হেফাজত নেয়।

ইশ্বরদী থানা অফিসার‑ইন‑চার্জ আসাদুর রহমান (ঢাকা ট্রিবিউন) শিপমেন্টের আগমন নিশ্চিত করে বলেন, কনভয়টি নিরাপদে সাইটে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে, ডেইলি অবজারভারের রিপোর্টে থানা অফিসার‑ইন‑চার্জের নাম আসাদুজ্জামান রহমান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; উভয় নামের পার্থক্য যাচাই করা প্রয়োজন।

শিপমেন্টের সংখ্যা ও পরিকল্পনা

প্রকল্প সূত্র অনুযায়ী, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি সাতটি শিপমেন্টে ভাগ করে আনা হবে, এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য অতিরিক্ত দুইটি শিপমেন্ট পরিকল্পনা করা হয়েছে, মোট নয়টি শিপমেন্ট। সব শিপমেন্ট ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে, বি.এস.এস. (BSS) এর প্রতিবেদনে এই শিপমেন্টকে প্রথম ইউনিটের তৃতীয় শিপমেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মূল সূত্রের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ। এই পার্থক্যও যাচাইয়ের প্রয়োজন।

ইঞ্জিনিয়ার ও প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি প্রস্তুতি সময়সূচি অনুযায়ী অগ্রসর হয়, তবে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ডিসেম্বর পর্যন্ত ট্রায়াল ভিত্তিতে জাতীয় গ্রিডে ২০০-৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারে।

এই তথ্যগুলো ঢাকা ট্রিবিউন, ডেইলি অবজারভার এবং বি.এস.এস. (BSS) এর প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত।