প্রথাম আলো ইংরেজি অনুসারে, গ্রেড ১৬ থেকে ২০ পর্যন্ত অস্থায়ী পদে প্রায় ১ লক্ষ কর্মী নিয়োগের প্রস্তাব এখন পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে। সরকারি বিভাগগুলো আউটসোর্সিং নীতি ২০২৫ সংশোধনের ফলে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী নিয়োগে বাধা পাচ্ছে।
পূর্বে এই পদগুলো আউটসোর্সিং এজেন্সি বা বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে নিয়োগ করা হতো; তবে নতুন নীতি অনুযায়ী সরাসরি ব্যক্তিগতভাবে সেবা গ্রহণের অনুমতি দেয়া হলেও পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট আইন ও নিয়মে তা স্পষ্ট নয়। ফলে বিভাগগুলো সরাসরি নিয়োগ করতে পারছে না এবং বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে নিয়োগের পথও বন্ধ হয়ে গেছে।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রভাব
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে হাজার হাজার দৈনিক মজুরি ভিত্তিক সেবা কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে নীতির অস্পষ্টতা তাদেরকে অগ্রসর হতে বাধা দিচ্ছে। একইভাবে, পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট প্রায় ৫,০০০ কর্মী এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ২০,০০০ কর্মী নিয়োগের প্রস্তাব জমা দিয়েছে, কিন্তু নতুন নীতি তাদেরকে থামিয়ে রেখেছে।
অন্য মন্ত্রণালয় যেমন রেলওয়ে, সামাজিক কল্যাণ ও কৃষি বিভাগেও অনুরূপ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে।
আর্থিক বিভাগ ও BPPA-র প্রতিক্রিয়া
আর্থিক বিভাগ ২১ সেপ্টেম্বর একটি চিঠিতে পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট অথরিটিকে (BPPA) আইন ও নিয়মে সংশোধন করে ব্যক্তিগতভাবে সেবা গ্রহণের বিধান যুক্ত করার অনুরোধ জানায়। BPPA ১৪ অক্টোবর একটি চিঠিতে উল্লেখ করেছে যে সরাসরি ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করা বর্তমান আউটসোর্সিং কাঠামোকে বদলে দিতে পারে এবং তা আইনগত ও দক্ষতার দিক থেকে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে।
BPPA এছাড়াও বেসরকারি সেবা প্রদানকারীর অংশগ্রহণ বাদ দিলে সমান অংশগ্রহণের নীতি লঙ্ঘিত হতে পারে এবং সেবা সেক্টরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে।
এই পরিস্থিতিতে, আর্থিক বিভাগ, BPPA এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে কীভাবে নতুন নীতি কার্যকর করা যাবে।
প্রথাম আলো ইংরেজি অনুযায়ী, আউটসোর্সিং নীতি প্রথম ২০০৮ সালে প্রবর্তিত হয় এবং ২০১৮ ও ২০২৫ সালে দুবার সংশোধিত হয়েছে।






