ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) হেব্রন শহরে গুলিবর্ষণ থামানোর পর পুরো পশ্চিম তীরে পূর্ণ লকডাউন আরোপের নির্দেশ দেন। এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী।
হামলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায় যে হেব্রনের কাছাকাছি একটি চেকপোস্টে দুই ফিলিস্তিনি গুলিবর্ষণকারী গাড়িতে থাকা গুলিবর্ষণ করে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়; ফলে দুই ফিলিস্তিনি গুলিবর্ষণকারী নিহত হয়। ঘটনায় প্রায় ২০ মিনিট গুলিবর্ষণ চলেছে এবং এতে পাঁচ ইসরায়েলি সৈনিক আহত হয়েছে, যার মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউন ও সমকাল উভয়ই নিশ্চিত করেছে।
সমকালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে আহত সৈনিকদের বয়স ২০ বছরের কম এবং আহতদের চিকিৎসা জরুরি সেবা “ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম” প্রদান করেছে।
রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পদক্ষেপ
নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন যে তিনি হেব্রন শহরে অবিলম্বে অবরোধ আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন এবং আজ থেকে পুরো জুডিয়া ও সামারিয়া অঞ্চলে পূর্ণ লকডাউনের প্রস্তুতি নিতে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তিনি নির্বাচনী প্রচারসূচি বাতিলেরও নির্দেশ দেন। বাসসের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে তিনি লিকুদ পার্টির সকল রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও একই ঘটনার পর পশ্চিম তীরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানান, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে বিলুপ্ত ও নিরস্ত্রীকরণ করার দাবি করেন।
ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়া
হামাস, ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ এবং পিএফএলপি (পিপিএলপি) গুলিবর্ষণকে প্রশংসা করে এবং এটিকে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং গাজা যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেছে। সমকালের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে হামাস ঘটনাটিকে “বীরত্বপূর্ণ অভিযান” বলে প্রশংসা করেছে, তবে তারা হামলার দায় স্বীকার করেনি।
এই সব তথ্য বাংলা ট্রিবিউন, সমকাল এবং বাসসের প্রতিবেদনের সমন্বয়ে উপস্থাপিত।






