খিলক্ষেত থানার পুলিশ ২৩ অক্টোবর রাত প্রায় ১১:২০ টায় চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে মো. ইসমাইল হোসেন বাবু ওরফে চাঁদাবাজ “মোফা বাবু” (বয়স ৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে, দেশ রূপান্তর অনুসারে।
গ্রেপ্তার পর ২৪ অক্টোবর একই থানায় মামলা নং ১৭ দাখিল করা হয়েছে, যার মধ্যে দণ্ডবিধির ধারা ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ অনুসারে বেআইনি সমাবেশ, পথরোধ, মারধর, চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অভিন্ন অভিপ্রায়ে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মোফা বাবুর স্থায়ী ঠিকানা ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার রামকেশব এলাকায়, এবং তিনি খিলক্ষেতের টানপাড়া এলাকার ১০ নম্বর সড়কে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিকুঞ্জ‑২ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক বিক্রি ও মারধরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ২০২৫ সালের জুলাই ও অক্টোবর, ২০২৬ সালের জুলাইতে বিভিন্ন সময়ে আটক হয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা জহির বাবু (সিলটি বাবু) তাকে আশ্রয় দিয়েছেন বলে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন উল্লেখ করেছে; তবে দলের নেতারা মোফা বাবুর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন।
খিলক্ষেত থানার ওসি মুহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন বলেন, চাঁদাবাজের কোনো দল নেই এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ করা যাবে না; আইনের চোখে সবাই সমান। তিনি জানান, দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা গ্রেপ্তারকে সাময়িক স্বস্তি হিসেবে স্বাগত জানিয়েও, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ তুলে, ধারাবাহিক ও কার্যকর আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
এই তথ্য দেশ রূপান্তর অনুসারে।






