বাছের (বাসস) প্রতিবেদনের মতে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনআইডি তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। মোট ৬৫,৭০,৮৪২টি আবেদন জমা পড়ার পর ৬৪,৪২,৮৩২টি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

অপেক্ষমাণ ও বাতিল আবেদন

বৃহৎ সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তি সত্ত্বেও ১,২৮,০১০টি আবেদন এখনও অপেক্ষমাণ রয়েছে। এছাড়া ১৩,৫৫,১৫৭টি আবেদন বিভিন্ন কারণে বাতিল করা হয়েছে।

অঞ্চলভিত্তিক বিশ্লেষণ

অপেক্ষমাণ আবেদনগুলোর ভৌগোলিক বণ্টন দেখা যায়: ঢাকা অঞ্চলে ১০,৬১৫টি, ফরিদপুরে ৫,১৪০টি, খুলনায় ৫,৮৭১টি, ময়মনসিংহে ৮,৩৩২টি, রংপুরে ৪,৪৭৭টি। সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলেও যথাক্রমে ৬,৪৬৯টি, ৬,৮৭৫টি, ৪,২২৬টি, ৬,৬৮৮টি এবং ১০,৫৫৯টি আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে।

‘ঘ’ ক্যাটাগরির অবস্থা

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে ৬৮,২৬৯টি এবং ২০২৫ সালের একই ক্যাটাগরিতে ৯৮৩টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে; মোট ৬৯,২৫২টি আবেদন।

প্রক্রিয়া ও তদারকি

ইসি আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়াতে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেছে এবং উপজেলা‑জেলা পর্যায়ে ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ (বাসস) জানান, অতীতে অযৌক্তিক আবেদন যথাযথভাবে যাচাই না করা হলেও এখন যুক্তিসংগত নয় এমন আবেদন বাতিল করা হচ্ছে এবং প্রতিটি আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

জালিয়াতি প্রতিরোধের উদ্যোগ

ইসি জালিয়াতি অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্টদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠাচ্ছে এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ভবিষ্যতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করে এনআইডি‑সংক্রান্ত জালিয়াতি কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই তথ্য বাসসের পাশাপাশি আজকের পত্রিকা এবং বার্তা২৪-ও একই সংখ্যার ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।