আজকের পত্রিকা অনুসারে, ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় খুলনা নগরের পূর্ব বানিয়াখামার আনসার আলী গলির সামনে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়। পত্রিকায় উল্লেখিত নাম তুষার, বয়স ৩২, এবং তিনি লবণচরা থানার জিন্নাপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র। গুলিবিদ্ধের পিঠে একটি গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়; তার দেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে মৃত ঘোষণা করা হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল এবং দু'টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে, খাদেমুল উলুম মাদ্রাসার কাছে কয়েকজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি ঘটার সময় গুলির শট চালানো হয়। তুষারকে গুলিবিদ্ধ করার জন্য দায়ী ব্যক্তি খুলনা বিশেষ বাহিনীর সদস্য বলে পুলিশ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম উল্লেখ করেন। তিনি তুষারকে পলাশের সক্রিয় সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন

সারাবাংলা প্রতিবেদনে একই ঘটনার বর্ণনা রয়েছে, তবে ভুক্তভোগীর নাম তুষার (বয়স ২৭) এবং স্থানকে মিস্ত্রিপাড়া বাজারের পূর্ব পাশের আনসার উদ্দিন লেন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ধস্তাধস্তি ও ছুরিকাঘাতের পর গুলিবিদ্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে বলা হয়েছে।

চ্যানেল আই-তে তাওহিদুল ইসলাম (বয়স ৩২) নামের এক যুবককে গুলিবিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, এবং স্থানকে পূর্ব বানিয়াখামার আনসার আলী গলি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি-র প্রতিবেদনেও গুলিবিদ্ধের স্থান মিস্ত্রিপাড়া বাজারের পূর্ব পাশের আনসার উদ্দিন লেন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখিত সব সূত্রে গুলিবিদ্ধের পর দেহকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগীর নাম, বয়স এবং সুনির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে প্রতিবেদনগুলিতে পার্থক্য রয়েছে, যা পরবর্তী যাচাইয়ের প্রয়োজন।

খুলনা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন রিপন জানান, সন্দেহভাজনদের সনাক্ত করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান শুরু হয়েছে। তুষারের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থানীয় ঘটনা (ডাক্তার গোলাম রব্বানীর মৃত্যু, জমি বিরোধ ইত্যাদি) আলাদা বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে মূল গুলিবিদ্ধের ঘটনা উপরে বর্ণিত।

তথ্যটি আজকের পত্রিকা এবং অন্যান্য মিডিয়া সূত্রের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।