দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। তারা ১৪ অক্টোবর থেকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন এবং সাত দিন কারাগারে থাকার পর আজ মুক্তি পেয়েছেন।

সিজেপি স্পোকসপার্সন রাঙ্কা ও দাস ১৩ অক্টোবর যন্ত্রমন্তরের তালাবদ্ধ গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ছিলেন। প্রোসিকিউশনের মতে, ১০ অক্টোবর তারা শান্তি মুচলেকা স্বাক্ষর করে, যা লঙ্ঘন করা হয়েছে।

১৪ অক্টোবর আদালতে উপস্থিতির সময় প্রথমে পাঁচ দিনের জন্য হেফাজতে পাঠানো হয় এবং পরের সোমবার (১৯ অক্টোবর) হেফাজত দুই দিন বাড়ানো হয়। দিল্লি পুলিশ হেফাজত আরও তিন দিন বাড়ানোর আবেদন করলেও, সন্ধ্যা ছয়টার পরে ম্যাজিস্ট্রেট জামিন ও শান্তি বন্ড গ্রহণ করে মুক্তির আদেশ দেন।

আদালত রাঙ্কা ও দাসকে ৫০,০০০ রুপি ব্যক্তিগত বন্ড এবং জামিনদারের বন্ড জমা দিতে নির্দেশ করে এবং তদন্ত চলবে বলে জানায়। উভয় নেতাই শপথ করে যে তালিকা থেকে বাদ না হওয়া পর্যন্ত যন্ত্রমন্তরে কোনো বিক্ষোভের ডাক দেবেন না।

সিজেপি দলের মুখে এই হেফাজত বাড়ানোর পেছনে ইচ্ছাকৃত বিলম্বের অভিযোগ রয়েছে; দলটি দিল্লি হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করে। হাইকোর্টের বিচারপতি সাব্রামণিয়াম প্রসাদ বন্ডের গুরুত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কথা উল্লেখ করে রিট আবেদন প্রত্যাহার করার পরামর্শ দেন।

এই তথ্য বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্ট এবং বার্তা২৪ ও আলোকিত বাংলাদেশসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের কভারেজের ভিত্তিতে সংকলিত।