ইত্তেফাকের অনুসারে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক এবং শিক্ষার্থী আন্দোলনের সংগঠক নেহা বোরা দুজনই দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে বিক্ষোভের সময় পুলিশ দ্বারা আটক হয়। প্রথমে শুক্রবার বিকেলে অভিজিৎ দীপককে আটক করা হয়; তিনি সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন এবং তরুণদেরকে সেখানে একত্রিত হতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার কয়েক মিনিট আগে নেহা বোরা, যিনি মান্দি হাউজ সার্কেল থেকে পতাকা হাতে মিছিল নিয়ে সেন্ট্রাল পার্কের দিকে যাচ্ছিলেন, পুলিশ দ্বারা আটক হন।
বিক্ষোভের পটভূমি
ককরোচ জনতা পার্টি ১০ অক্টোবর যন্ত্রমন্তরে জাতীয় পতাকা উড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল, তবে ওই দিন পুলিশ কোনো অংশগ্রহণকারীকে সেখানে যেতে দেননি এবং অভিজিৎ, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন (১১ অক্টোবর) তারা মুক্তি পায়। ১৩ অক্টোবর আবার আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস যন্ত্রমন্তরে পতাকা উড়ানোর সময় গ্রেপ্তার হন।
বিক্ষোভের মূল দাবি হল ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি, যিনি ভোটার তালিকা থেকে কোটি কোটি মানুষকে বাদ দিয়ে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে ৭০ লাখের বেশি নাম বাদ দিয়ে, নির্বাচনের পর আবার যোগ করার অভিযোগে সমালোচিত হচ্ছেন।
অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন
ঢাকা টাইমস একই দিনে অভিজিৎ দীপকের দ্বিতীয়বারের মতো আটক হওয়ার কথা জানিয়ে থাকে এবং উল্লেখ করে যে পুলিশ তার বাড়িতে মিছিল না করার বিষয়ে একটি নোটিশ জারি করেছিল, যা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ধারা ১৬৩ অনুযায়ী কনট প্লেসের আশপাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এছাড়া, ঢাকা টাইমসের মতে, বিক্ষোভের সময় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শুরু করে। তবে এই তথ্য ইত্তেফাকের মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
বার্তা২৪ প্রতিবেদনে নেহা বোরা, ২৯ বছর বয়সী ছাত্রনেত্রী, যন্ত্রমন্তরে বিক্ষোভের সময় আটক হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইত্তেফাকের বর্ণনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
উল্লেখ্য, উল্লিখিত কিছু তথ্য—যেমন অনিস গাওয়ান্ডের বাড়ি থেকে আটক হওয়া, এবং নোটিশের সুনির্দিষ্ট ধারা—ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে আছে এবং ইত্তেফাকের মূল প্রতিবেদনে নেই; সুতরাং এগুলি আলাদা সূত্রে ভিত্তিক এবং যাচাই প্রয়োজন।






