ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের প্রেক্ষিতে এক নারী (বয়স ৪০) বাড়িতে প্রবেশ করে চুল কেটে, শরীরে শুকনো লাল মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে মারধর করা হয়েছে, এ বিষয়ে আজকের পত্রিকা জানায়। ঘটনায় তার স্বামী ও সন্তানও আঘাত পেয়েছেন; সন্তান মায়ের চিৎকার শুনে ঘরে প্রবেশ করে নিজেও লাঠি দিয়ে মারধরের শিকার হয়।
ভুক্তভোগী নারী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বামী কাজে ছিলেন, তিনি বাড়িতে কাজ করছিলেন। নসায়নপুর গ্রামের রসিদ নামের এক ব্যক্তি তার বাড়িতে এসে আনোয়ার (আনোয়ার হোসেন) নামের ব্যক্তির সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্কের অভিযোগ তুলেন এবং সতর্ক করেন। রসিদের পরামর্শে আরও চারজন বাড়িতে ঢোকে; তাদের মধ্যে একজন নারীর চুলের মুঠি ধরে মারধর করে, আর আনোয়ারের স্ত্রী নারীর ব্যাগ থেকে কাঁচি বের করে চুল কেটে দেয়। পরে একটি বড় প্যাকেট বের করে তার শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে যায়।
অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন ও পার্থক্য
প্রথম আলো (প্রতিবেদন) একই ঘটনার বর্ণনা করে, তবে এতে নারীর নাম না থাকলেও তার ধর্ম হিন্দু বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং আনোয়ারের স্ত্রী, দুই মেয়ে ও ছেলেকে অভিযুক্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ইনকিলাব (প্রতিবেদন) নারীর নাম সুচিত্রা বিশ্বাস বলে উল্লেখ করেছে, এবং টনি খাতুন (তন্নী খাতুন) ও তার সন্তান, পাশাপাশি প্রতিবেশী আবদুর রশিদকে অভিযুক্তের মধ্যে যুক্ত করেছে। ইত্তেফাক (প্রতিবেদন) একইভাবে সুচিত্রা বিশ্বাসের নাম ব্যবহার করে, এবং ঘটনার তারিখকে ২২ অক্টোবরের সন্ধ্যা হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেখানে আজকের পত্রিকায় ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাত (২৩ অক্টোবর) বলে উল্লেখ আছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগী নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন; এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার হয়নি এবং তদন্ত চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে এবং এ ধরনের বাড়িতে হিংসা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই তথ্য আজকের পত্রিকা অনুসারে, এবং অন্যান্য মিডিয়া (প্রথম আলো, ইনকিলাব, ইত্তেফাক) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে।






