প্রথাম আলো ইংরেজি অনুসারে, ২০২৬ সালের ইসরায়েলি নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল দেখায় যে বেনজামিন নেটানিয়াহুর জোটের আকার ছোট হবে, আর বিরোধী দলগুলোও ৬১ সিটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ। আরব পার্টিগুলোর প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রোপোরশনাল এবং ৪ সিটের উচ্চ থ্রেশহোল্ডের কারণে ফলাফল অনিশ্চিত।
ইসরায়েলে সরকার গঠনের ধাপসমূহ
প্রথমে, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জেগ নতুন সরকার গঠনের জন্য পার্টি নেতাদের সুপারিশ চান। ৩.২৫% ভোটের থ্রেশহোল্ড অতিক্রম করা সব পার্টি জেরুজালেমের প্রেসিডেন্টের বাসায় আহ্বান করা হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে লিকুডের নেটানিয়াহু এবং গাদি আইসেনকট, যিনি পূর্বে আইডিএফের চিফ অফ স্টাফ ছিলেন। বর্তমান ইন্টারিম সরকার নেটানিয়াহুর নেতৃত্বে থাকবে, তবে নতুন সরকার গঠনে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
প্রেসিডেন্টের নির্বাচিত প্রার্থীকে ২৮ দিন (প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ১৪ দিন) সময় দেওয়া হয়। যদি এই সময়ে সরকার গঠন না হয়, তবে প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত তৃতীয় রাউন্ডে কনেসেট ভোটের মাধ্যমে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকে।
কূটনৈতিক আলোচনায় প্রধান বিষয় হল হারেডি (উল্ট্রা-অর্থোডক্স) পুরুষদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি সংক্রান্ত বিল। আইসেনকটের ব্লক সামরিক সেবার বাধ্যতামূলকতা নিশ্চিত করতে চায়, যেখানে হারেডি পার্টি (শাস, ইউনাইটেড টোরাহ জুডাইস) অব্যাহতি বজায় রাখতে চায়। রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টি উভয় দিকের সঙ্গে সমঝোতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
আরব পার্টি রা'আম, ম্যানসুর আব্বাসের নেতৃত্বে, নেটানিয়াহু-বিরোধী জোটে অংশ নিতে চায়, তবে জেডি পার্টিগুলোর মধ্যে কিছু জোটে আরব পার্টি অন্তর্ভুক্ত না করার অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্যালেস্টিনীয় নীতি নিয়ে পার্টিগুলোর মতভেদ স্পষ্ট, যেখানে ডেমোক্র্যাটস (লেবার ও মারেজ) প্যালেস্টিনীয় রাষ্ট্রের জন্য আলোচনার পক্ষে, আর ইসরায়েল বেটেনু ও বেয়াহাদের নেতারা প্যালেস্টিনীয় সার্বভৌমত্বকে অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি করে।
বাংলাদেশে ই-ফ্যামিলি আদালত চালু
বিএসএসের প্রতিবেদনে (মাহমুদুল হাসান রাজু, ঢাকা, ২৮ অক্টোবর ২০২৬) জানানো হয়েছে যে সরকার আরেকটি ই-ফ্যামিলি আদালত এবং দেশের প্রথম ই-ফ্যামিলি আপিল আদালত চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য পরিবারিক ন্যায়বিচারকে দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছ করা।
উল্লেখ্য, উভয় ঘটনার সময়সূচি ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন, তবে উভয়ই দেশের রাজনৈতিক ও আইনি কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নির্দেশ করে।
উপরের তথ্যগুলো প্রথাম আলো ইংরেজি এবং বিএসএসের প্রকাশিত সূত্রের উপর ভিত্তি করে সংকলিত হয়েছে।






