ইনকিলাবের রিপোর্ট অনুসারে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সরকারী কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কিত সচিবালয় ব্রিফিংয়ে মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে "অত্যন্ত দুঃখজনক" বলে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনায় একটি রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা উঠে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিণতি ভোগ করতে হবে।
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, "একজন মানুষ মারা গেলে তার অধিকার রয়েছে মর্যাদার সঙ্গে দাফন হওয়ার। তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে। যারা এ ধরনের কাজ করেন, তারা শেষ পর্যন্ত সমাজের সমর্থন পান না এবং নিন্দিত হন।"
তিনি আরও যোগ করেন, পূর্বেও এ ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে; কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের দেহ বা কবরের সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণ করা হয়েছে, এবং সেই বিচারগুলোর সমর্থকও এ ধরনের আচরণকে পছন্দ করেননি।
ইত্তেফাক এবং চ্যানেল আই অনুসারে, একই মন্তব্যটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেওয়া হয়েছে, যা ইনকিলাবের তারিখের সাথে ভিন্ন। উভয় মাধ্যমেই জাহেদ উর রহমানের মন্তব্য একই রকম উল্লেখ করা হয়েছে।
একাত্তর টিভি রিপোর্টে ঘটনাস্থল পিরোজপুরে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের দাফনে বাধা দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই তথ্য ইনকিলাবের মূল প্রতিবেদনে উপস্থিত নয়।
উল্লেখযোগ্য যে, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের মন্তব্যে তিনি রাজনৈতিক দলের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি, তবে অন্যান্য সূত্রে জামায়াতে ইসলামীর উল্লেখ রয়েছে।






