ধারা অনুযায়ী, হুথি বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ইরান‑সমর্থিত মিসাইল ব্যবহার করে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের এডেন শহরে অবস্থিত আল‑মাশিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে আক্রমণ চালায়।

হামলার ফলে ক্ষতি

ঢাকা পোস্টের মতে, যুব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নায়েফ সালেহ আল‑বাকরি আল‑আরাবিয়াকে জানিয়ে বলেন যে দুই গার্ড নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছে; তবে মন্ত্রিসভার সব মন্ত্রী অক্ষত রয়েছেন। একই সূত্রে রয়টার্সের এক সরকারি সূত্র উল্লেখ করেছে যে হুথি একাধিক মিসাইল ব্যবহার করেছে।

আলজাজিরার সাংবাদিক ঘটনাস্থলে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং পরে জানানো হয় যে প্রাসাদটি মিসাইল দিয়ে লক্ষ্য করা হয়েছে।

অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের বিবরণ

আলোকিত বাংলাদেশ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রাসাদের নিকটে কমপক্ষে পাঁচটি বিস্ফোরণ শোনা যায়, যা আশেপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হুথি তাদের দায় স্বীকার করে জানিয়েছে যে লক্ষ্য ছিল প্রাসাদের ভিতরে অবস্থিত একটি সামরিক কমান্ড কেন্দ্র ও অস্ত্র গুদাম। প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রী শায়া আল‑জিন্দানি ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, তবে তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে, তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু থেকে একটি সরকারি সূত্রের ভিত্তিতে বলা হয়েছে যে হুথি পাঁচটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করে আক্রমণ চালায়, যার ফলে নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে তিনজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে প্রাসাদের ভিতর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠে আসা দেখা যায়।

তথ্যের পার্থক্য

হত্যার সংখ্যা ও ব্যবহৃত মিসাইলের পরিমাণে দুইটি সূত্রের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে: ঢাকা পোস্টে দুই গার্ডের মৃত্যু ও ছয়জনের আহত উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে দেশ রূপান্তরে তিনজন নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু এবং পাঁচটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের ব্যবহার বলা হয়েছে।

হুথির সাম্প্রতিক কার্যক্রম

ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, হুথি গত ১৫ দিনে সৌদি আরবের রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপক্ষে ২০ বার আক্রমণ চালিয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল‑মালকি উল্লেখ করেছেন যে বেসামরিক অবকাঠামো ও নাগরিকদের লক্ষ্য করে করা সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার। এছাড়া, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান যে হুথির সঙ্গে সাম্প্রতিক সপ্তাহে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, তবে গোষ্ঠী ওমানে বৈঠক করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্ট, আলোকিত বাংলাদেশ এবং দেশ রূপান্তরের প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত হয়েছে।