বার্তা২৪ অনুযায়ী, সরকার জ্বালানিসংকট সমাধান করে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।
অর্থমন্ত্রীর বিবৃতি
ইনকিলাবের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তিনি সরকারী উদ্যোগের মধ্যে সৌরশক্তি উৎপাদনের জন্য পূর্ণ করমুক্তি ও প্রণোদনা, ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের উৎসাহ, এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ট্যারিফের চেয়ে বেশি দামে ক্রয়ের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
গ্যাস অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে, মন্ত্রী ১৫০টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তিন থেকে চারটি নতুন ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট (FSRU) চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে কোরিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করছেন। মাতারবাড়ি ও খুলনার কাছে ২০ মিটার ড্রাফটের নতুন LNG টার্মিনাল স্থাপনের মাধ্যমে জ্বালানি হাব গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।
অর্থনৈতিক সংস্কারের দিক থেকে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন দুই ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন, যা স্বার্থের সংঘাত ও দুর্নীতি হ্রাসে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজারের পুনর্গঠন, ব্যবসার ব্যয় কমিয়ে ব্যবসা সহজ করার জন্য নিয়ন্ত্রণমূলক বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রীর মতে, হংকংয়ের পুঁজিবাজারে বাংলাদেশের জন্য একটি পৃথক ইকুইটি ফান্ড চালু করা হচ্ছে এবং ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পুঁজিবাজার ও বন্ড খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি যুক্তি দেন যে, যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল হবে।
বাসসের প্রতিবেদনে একই বিষয়টি পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে অর্থমন্ত্রী জ্বালানি খাতের গুরুত্ব ও বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাবের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
উপরের সব তথ্য বার্তা২৪, ইনকিলাব এবং বাসসের প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত।






