প্রথম আলো ইংরেজি অনুসারে, ইস্তাম্বুলে শুক্রবারে সাতটি ইউরোপীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা হরমুজ খাল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংকট নিয়ে আলোচনা করবেন। এতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির ‘E3’ গ্রুপ এবং তুর্কি, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও মিশরের ‘R4’ গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের অফিস জানিয়েছে, আলোচনার মূল বিষয় ‘হরমুজ খাল এবং সৌদি আরবের পরিস্থিতি’। তিনি হরমুজে ন্যাভিগেশন অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ইরানীয় কৌশলগুলোর অঞ্চলজুড়ে পুনরাবৃত্তি রোধের জন্য কূটনৈতিক সমাধান দাবি করবেন। এছাড়া, যুক্তরাজ্য হাউথি আক্রমণ থেকে সৌদি আরবকে রক্ষা করতে RAF টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রী হাকান ফিদান বৈঠকের আয়োজক এবং তিনি অঞ্চলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় দেশগুলোর দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতা জোর দিয়ে বলেছেন। তিনি ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ ও ‘সেটলার সন্ত্রাসবাদ’ বাড়ার প্রতিক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেছেন। তাছাড়া, হরমুজ ও বাব এল‑মান্দেব খালের স্থায়ী ন্যাভিগেশন স্বাধীনতা এবং হাউথি আক্রমণ থেকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য তুর্কির সমর্থন তুলে ধরেছেন।
ব্ল্যাক সি নিরাপত্তাও আলোচনার বিষয়। ফিদান রাশিয়া‑ইউক্রেন যুদ্ধের ব্ল্যাক সিতে বিস্তার রোধে তুর্কির ‘সতর্কতা ও প্রস্তাবনা’ উল্লেখ করেছেন। তুর্কি সূত্রে, গত মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেনকে আক্রমণ বন্ধের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, তবে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার নিকটে সাম্প্রতিক আক্রমণ বাড়ছে। ন্যাটো অতিরিক্ত বিমান, ড্রোন ও রাডার ব্যবস্থা ব্ল্যাক সিতে পাঠিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ বাড়াচ্ছে।
বিএসএস এবং ঢাকা ট্রিবিউন সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে বৈঠকে আটটি দেশ অংশগ্রহণ করবে এবং ডি.ট্রিবিউন অনুসারে ইটালিওও E3 গ্রুপের অংশ হিসেবে উপস্থিত থাকবে। প্রথম আলো ইংরেজি অনুযায়ী অংশগ্রহণকারী দেশ সংখ্যা সাত এবং E3 গ্রুপে ইটালিও উল্লেখ করা হয়নি। এই পার্থক্যগুলি প্রকাশের আগে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রথম আলো ইংরেজি উল্লেখ করেছে যে E3 গ্রুপ প্রায় ২০ বছর আগে ইরানের পারমাণবিক প্রোগ্রাম নিয়ে কূটনৈতিক সমন্বয় বাড়ানোর জন্য গঠিত হয়। R4 গ্রুপ এই বছর গঠিত হয়েছে এবং মেক্কা ডিফেন্স এগ্রিমেন্টের স্বাক্ষরকারীদের (তুর্কি, সৌদি আরব, পাকিস্তান) সঙ্গে মিশরকে যুক্ত করেছে।






