ধাকার একটি আদালত বুধবার দিলিপ কুমার অগরওয়ালা, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর,কে চার দিনের রিম্যান্ডের আদেশ দিয়েছে। এই রিম্যান্ডটি ২০২৪ সালের আগস্টে উত্তরা এলাকায় অনুষ্ঠিত ‘অ্যান্টি‑ডিসক্রিমিনেশন স্টুডেন্ট মুভমেন্ট’‑এর সময় প্রতিবাদকারীদের উপর গুলি চালানোর এবং ‘আবদুর জাব্বার’ (বা ‘এ জাব্বার’) নামের এক প্রতিবাদকারীকে গুলি করে আঘাত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দেওয়া হয়েছে। (ধারাবাহিক তথ্য ধারা ট্রিবিউন থেকে)।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে অগরওয়ালা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে সমন্বয়ে গুলি চালানোর পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। তিনি মামলায় ৩১ নম্বর অভিযুক্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত।
বিচারিক বিবরণ ও পার্থক্য
ধারা ট্রিবিউন অনুসারে, উত্তরা পশ্চিম পুলিশ স্টেশনের সাব‑ইনস্পেক্টর এমডি সুমন মিয়া (ধারা ট্রিবিউন) আদালতে অগরওয়ালাকে উপস্থিত করে ১০ দিনের রিম্যান্ডের অনুরোধ করেন। অন্যদিকে, বি‑এস‑এস (BSS) প্রতিবেদনে একই সাব‑ইনস্পেক্টরকে ‘এমডি সুমান মিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তিনি ৭ দিনের রিম্যান্ডের অনুরোধ করেছেন। উভয় প্রতিবেদকই অগরওয়ালাকে রিম্যান্ডের জন্য আদালতে উপস্থিত করেছেন।
অপরাধমূলক মামলায় আর্থিক লন্ডারিং সংক্রান্ত অভিযোগে, ধারা ট্রিবিউন উল্লেখ করেছে যে একদিনের রিম্যান্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে, তবে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নাম উল্লেখ করেনি। বি‑এস‑এস (BSS) প্রতিবেদনে এই রিম্যান্ডটি ‘ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম’ কর্তৃক অনুমোদিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযুক্তের গ্রেপ্তারস্থল সম্পর্কেও পার্থক্য রয়েছে: ধারা ট্রিবিউন অনুসারে অগরওয়ালা ঢাকা শহরের গুলশান এলাকায় ১৯ অক্টোবর গ্রেপ্তার হয়। বি‑এস‑এস (BSS) প্রতিবেদনে তাকে বানানি এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদকারী ব্যক্তির নামেও ভিন্নতা আছে। ধারা ট্রিবিউন ‘আবদুর জাব্বার’ নামে উল্লেখ করেছে, যেখানে বি‑এস‑এস (BSS) ‘এ জাব্বার, ২১ বছর বয়সী’ নামে উল্লেখ করেছে। উভয়ই একই ঘটনার শিকার ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
অভিযুক্তের রাজনৈতিক সংযোগের বিষয়ে, ধারা ট্রিবিউন উল্লেখ করেছে যে রাষ্ট্রের প্রসিকিউটর শামসুদ্দোয়া সুমন অগরওয়ালাকে আওয়ামী লীগের আর্থিক সহায়তা ও কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে তার রক্ষা পক্ষের আইনজীবী অ্যানওয়ারুল কবির বাবুল দাবি করেন যে অগরওয়ালা পাঁচ বছর আগে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং ঘটনাকালে তিনি বিদেশে ছিলেন।
এই রিম্যান্ডের আদেশের পর, তদন্তকারী কর্মকর্তা অগরওয়ালার কাছ থেকে ঘটনাস্থল, ব্যবহৃত অস্ত্র পুনরুদ্ধার এবং অন্যান্য সন্দেহভাজন চিহ্নিত করার জন্য তথ্য সংগ্রহের দাবি করেছেন।






