প্রেম‑ব্ল্যাকমেইল চক্রের গ্রেপ্তার

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাসা বা হোটেলে ডেকে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করা একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। তাদের নাম ও বয়স ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী: জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান (৩৮), প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), সাবরিনা কবির (প্রেমা) ওরফে নেহা (২২), সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম রোববার (২৫ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে একটি ব্রিফিংয়ে জানান, চক্রের নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন, তারপর নির্ধারিত বাসা বা হোটেলে ডেকে শারীরিক নির্যাতন ও আপত্তিকর ছবি‑ভিডিও তোলেন এবং তা ছড়িয়ে দিয়ে টাকা আদায় করেন। তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে গ্রেপ্তারকালে ৭টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ব্যাংকের ব্ল্যাংক চেক, টর্চার বেল্ট, ইলেকট্রিক শক মেশিন ও অন্যান্য নির্যাতনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ডিবি প্রধান জানান, গ্রেপ্তারের পরও চক্র থেমে না থেকে পুনরায় টাকা আদায়ের চেষ্টা করছিল এবং তুরাগ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

হোটেল‑ব্যবসায়ীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ নীতি

ইনকিলাব, সারাবাংলা এবং সমকালের প্রতিবেদনের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার (২৫ অক্টোবর) একটি সার্কুলার জারি করে হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, শপিং মল ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদেশি পর্যটকদের আন্তর্জাতিক কার্ডে করা বিক্রয়ের বিপরীতে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ সংরক্ষণ করার অনুমতি প্রদান করেছে। অবশিষ্ট ৮৫ শতাংশ টাকা বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করতে হবে। সংরক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা চলতি হিসাবের আওতায় বৈধ লেনদেনে ব্যবহার করা যাবে, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ অন্তর্ভুক্ত। ব্যাংকগুলোকে কেওয়াইসি, অর্থপাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন সংক্রান্ত বিধি মেনে চলতে এবং যথাযথ কর ও মূসক কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপরের তথ্যগুলো ঢাকা পোস্ট, ইনকিলাব, সারাবাংলা ও সমকালের প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে সংকলিত।