চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময়ের অচলাবস্থা শেষ করে দ্রুত ক্লাসে ফিরে আসার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা পোস্টের মতে, শিক্ষার্থীরা রোববার (২৫ অক্টোবর) শিক্ষকদের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করে তাদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে এবং ক্লাসে ফেরার জন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমর্থন চেয়েছে।

চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে ক্লাসে ফেরার অর্থ আন্দোলন থেকে সরে আসা নয়; সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অনলাইন নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে কঠোর আন্দোলন পুনরায় শুরু হবে বলে সতর্কতা জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনগুলো (সমকাল, চ্যানেল ২৪, বার্তা২৪) উল্লেখ করেছে যে অচলাবস্থা প্রায় ৩৪ দিন ধরে চলেছে এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষক সমিতি একই দিনে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানাতে একটি সাধারণ সভা করেছে। সমকাল প্রতিবেদনে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহের উক্তি এবং শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসিরের মন্তব্যও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ২১ সেপ্টেম্বর উপাচার্য ভবন তালা দেয়া, ২৯ সেপ্টেম্বর মুখোশ মিছিল এবং ৩০ সেপ্টেম্বর চোখ বাঁধা প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছে। নতুন উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমের নিয়োগের পরেও অচলাবস্থা অব্যাহত থাকে, এবং ৬ অক্টোবর উপাচার্য ১,১৮৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা ব্যাংকে আটকে রাখতে নির্দেশ দেন, যা ৭ অক্টোবর ব্যাংক শাখায় প্রতিবাদে পরিণত হয়। ১০ অক্টোবর শিক্ষক-কর্মচারী-কর্মচারীর কর্মবিরতি আরও তীব্র হয়; উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা বাধা সৃষ্টি করে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাকে ক্যাম্পাস থেকে বের করা হয়। ভার্চুয়াল সিন্ডিকেট সভা হলেও কোনো উল্লেখযোগ্য সমাধান বের হয়নি।

এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের পাশাপাশি অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে সংকলিত এবং সব তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।