পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে শুক্রবার ১১ টার দিকে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মণি কিশোর গ্যাং নির্মূলের জন্য থানার ওসি মো. আব্দুল আলীমকে দুই মাসের সময়সীমা দেন। তিনি বলেন, "আগামী দুই মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং নির্মূল করতে না পারলে আপনি থাকবেন না।"

মণি চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং দখলবাজি বন্ধের কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারীও জানান। তিনি উল্লেখ করেন পাথরঘাটায় চাঁদাবাজির কোনো জায়গা নেই এবং সন্ত্রাসী ও দখলবাজি গৃহীত হবে না। তিনি তার নাম ব্যবহার করে চাঁদা নেওয়া এক ব্যক্তি "আউয়াল" এবং আরেকজনকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেন।

সভায় উপস্থিতদেরকে তিনি জানান, তার নাম ব্যবহার করে কেউ দখলবাজি করলে তাকে মোবাইলে বার্তা দিয়ে জানাতে হবে; তিনি রাতের বার্তা দেখেন। কোস্ট গার্ডের সূত্রগুলোকে সতর্ক করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে তাদের গ্রেপ্তার করানো হবে। তিনি থানায় দালাল বন্ধ করার কথাও উল্লেখ করেন।

মণি সমুদ্রের ট্রলিং নিয়ে সতর্ক করেন; তিনি বলেন, রাত ১২ টার পরে ম্যাজিস্ট্রেট চলে গেলে ট্রলিং শুরু হয় এবং বরফকল চালু হয়। তিনি পাথরঘাটায় ট্রলিং করা বন্ধ করার অনুরোধ করেন, যদিও অন্যত্র তা অনুমোদিত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সাধারণ মানুষের জীবনযাপন, চরাঞ্চলের জেলে, কৃষকের দুর্দশা, দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা এবং শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে সারা দেশের কৃষকদের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত সুদসহ ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

--- তথ্য সূত্র: ঢাকা টাইমস