কক্সবাজারের উখিয়া ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে ১৭ অক্টোবর ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের দশ দিন পর, রিসোর্টের ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। ঢাকা পোস্টের মতে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা দেহটি উদ্ধার করেন।

উদ্ধারের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে ভিন্ন তথ্য

ইনকিলাব (ইনকিলাব) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে দেহটি বেলা ২টার দিকে রিসোর্টের দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, যেখানে বাংলা ট্রিবিউন (বাংলা ট্রিবিউন) একই দিন দুপুরে রিসোর্টের পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দেশ রূপান্তর (দেশ রূপান্তর) রিপোর্টে বেলা ৩টার দিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের পোড়া রিসোর্টের দ্বিতীয় তলা থেকে দেহটি পাওয়া গেছে। এই তিনটি সূত্রে সময়ের পার্থক্য রয়েছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার, ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করে জানান যে দেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে যাতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।

দেহের পরিচয় ও শিকারের সংখ্যা

ইনকিলাবের তথ্য অনুযায়ী, দেহটি নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন জাহান মুক্তা (বয়স ২৭) বলে ধারণা করা হচ্ছে; তার স্বামী, সাবেক ছাত্রদল নেতা দেওয়ান ফয়সাল দেহটি দেখেছেন এবং গলায় স্বর্ণের চেইন দেখে তা তার স্ত্রী বলে দাবি করেছেন। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে চূড়ান্ত পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন। বাংলা ট্রিবিউন ও দেশ রূপান্তর উভয়ই উল্লেখ করেছে যে দেহের পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা “শিক্ষিকার দেহ” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মৃতদেহের মোট সংখ্যা সম্পর্কে ভিন্ন রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ইনকিলাবের মতে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ১১-এ বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১১ জন, যেখানে বাংলা ট্রিবিউন উল্লেখ করেছে যে ১০ জনের দেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত কোনো দেহের উল্লেখ নেই। এই পার্থক্যটি প্রকাশ্য সূত্রে স্পষ্ট নয়।

অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়া

ইনকিলাবের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে এক আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে, যার জন্য আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তকরণে পুলিশ, সিআইডি ও এসআরবি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এই তথ্যগুলো ঢাকা পোস্টের মূল প্রতিবেদনের পাশাপাশি উপরে উল্লিখিত অন্যান্য আউটলেটের রিপোর্ট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে; কোনো তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন।