সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের গুয়াংজুর জিয়াংনান ফল ও সবজি পাইকারি বাজার প্রতি দিন গড়ে ১৫ হাজার টন ফল-সবজির লেনদেন করে, যা চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বব্যাংকের ডব্লিউআইটিএস তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চীন প্রায় ২৯ কোটি ২৬ লাখ কেজি আম, পেয়ারা ও ম্যাঙ্গোস্টিন আমদানি করেছে, যার মূল্য প্রায় ৬৭ কোটি ৫৬ লাখ মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২৬ লাখ ৭০ হাজার টন আম উৎপাদন হলেও রপ্তানি হয়েছে মাত্র ২ হাজার ১৯৪ টন, যার মধ্যে চীনের অংশ খুবই কম। ২০২৪ সালের ১০ জুলাই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়া এবং ২৬ জুলাই চীনের জিএসিসি অনুমোদন দেওয়ার পরও ২০২৫ সালে চীনে বাংলাদেশের আম রপ্তানি হয়েছে ৫.২২ টন এবং ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৭০০ কিলোগ্রাম।
গুয়াংজুতে ব্যবসা করছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন মতে, বাংলাদেশ ও চীনের আমের মৌসুম মিলে থাকা, কিসমের বাজারগত চাহিদা জানার অভাব এবং গুণমান-প্যাকেজিংয়ের মানদণ্ড পূরণ বড় চ্যালেঞ্জ। গত ২৭ জুলাই কাঁঠালের ফাইটোস্যানিটারি অনুমোদন মেলেছে, পেয়ারার আলোচনা চলছে। চায়নিজ একাডেমি অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্সেসের গবেষক সোলায়মান হোসেন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম খান উভয়েই গ্লোবাল গ্যাপ মানদণ্ড ও বাগান উন্নতির ওপর জোর দিয়েছেন।






