ধাকাবা ট্রিবিউন অনুযায়ী, প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল টুর্নামেন্টের চতুর্থ রাউন্ডে চতুর্থ স্তরের ফ্লিটউডের কাছে পেনাল্টি শুট‑আউটে ৫-৩ স্কোরে পরাজিত হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে দুই দল ১-১ সমান হয়ে শেষ হওয়ার পর, ব্রুনো গুইমারেসের পেনাল্টি জে লিঞ্চের দ্বারা সেভ করা হয়, আর কনর হগহে ফ্লিটউডের জয় পেনাল্টি গড়ে তোলেন।
ফ্লিটউডের এয়ারন লুপালো‑বি প্রথমার্ধে গল করে এগিয়ে গিয়েছিলেন, আর ভিক্টর গ্যোকারেসের সমান স্কোরের গোল দ্বিতীয়ার্ধে হয়। ১৬ বছর বয়সী ম্যাক্স ডোওম্যান শেষের দিকে হিংসাত্মক আচরণের জন্য লাল কার্ড পান। আর্টেটা এই ম্যাচে নয়টি পরিবর্তন করে লিভারপুলের লিগ ম্যাচকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে।
ফ্লিটউডের পটভূমি ও ম্যাচের বিবরণ
ফ্লিটউডের ৫,৩২৭ সিটের হাইবুরি স্টেডিয়াম, যা আর্সেনালের পুরনো হাইবুরি নামের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, এই শক জয়ের স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্লাবের প্রধান মেট ললোর আনন্দে চোখে জল, এবং ভক্তরা পিচে ভিড় হয়ে উদযাপন করেন। ফ্লিটউড লিগ টুতে ১৮তম স্থানে রয়েছে এবং পূর্বের দুই লিগ ম্যাচে এক্সেটার ও চেল্টনস্টনকে হারিয়ে ছিল।
ম্যাচের শুরুতে অঅনুমোদিত ড্রোনের কারণে আট মিনিটের বিলম্ব হয়। ফ্লিটউডের 'কড আর্মি' উপনামটি তাদের মাছ ধরার ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত।
বার্সেলোনার আলভারেজ ইস্যু ও জরিমানা
দেশ রূপান্তর ও চ্যানেল ২৪ের রিপোর্ট অনুসারে, স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (RFIF) বার্সেলোনাকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের অভিযোগে জুলিয়ান আলভারেজকে গোপনভাবে দলে যুক্ত করার চেষ্টা করার জন্য জরিমানা করেছে। চ্যানেল ২৪ে উল্লেখ করা হয়েছে যে জরিমানা ৬০২ ইউরো (প্রায় ৫০৩ পাউন্ড)। চ্যানেল আইও উল্লেখ করেছে যে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ গ্রীষ্মে বার্সেলোনাকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল যে তারা আলভারেজকে বিক্রি করবে না, তবু বার্সেলোনার এই গোপন প্রচেষ্টা প্রকাশ পায়। ঢাকা পোস্টের সংক্ষিপ্ত রিপোর্টেও বলা হয়েছে যে বার্সেলোনা আলভারেজ ইস্যুতে শাস্তি পেয়েছে।
এই ঘটনাগুলো উভয়ই ফুটবলের বিভিন্ন স্তরে নিয়ম ও প্রতিযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরে।






