নিউল্যান্ডসে সিরিজ নির্ধারণী টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৬ রানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানও দখল করেছে প্রোটিয়ারা। ঢাকা পোস্ট অনুসারে, এটি ২০১৬ সালের জানুয়ারির পর দক্ষিণ আফ্রিকার আবারও টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ওঠা।

জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন জশ ইংলিস। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সিমন হারমার ১৬ রানে ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসিয়ে দেন এবং কাগিসো রাবাদা নেন ৩ উইকেট।

ম্যাচের শেষ দিনে শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখেন রাবাদা; ইনিংসের প্রথম ওভারেই দুটি উইকেট তুলে নেন। তিনি টেস্টে ৩৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন, যেখানে বলের হিসাবে দ্রুততম রেকর্ড তার দখলে। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে রাবাদার লেগেছে ১৩ হাজার ৮০৮ বল; আগের রেকর্ডটি ডেল স্টেইনের ছিল বলে জানা যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল ব্যাটসম্যানরা। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকরা ৩২৯ রান করেছিল এবং অস্ট্রেলিয়া ৪২৯ রান তুলে ১০০ রানের লিড নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে রায়ান রিকেলটন ও উইয়ান মুল্ডারের সেঞ্চুরিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৮৭ রান করে। রিকেলটন ১০১ রান এবং মুল্ডার ১১৫ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮৮ রান।

সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ২১৪ রানে জিতেছিল এবং দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ও ৩১ রানের ব্যবধানে জিতেছিল (ঢাকা পোস্ট)। শেষ টেস্টে জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার পাশাপাশি টেস্ট ক্রেটের শীর্ষস্থানও পুনরুদ্ধার করেছে প্রোটিয়ারা।

প্রাসঙ্গিক খবর: প্রথম আলো জানায়, ম্যাচের পঞ্চম দিনে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২২৮ রান এবং হাতে ১০ উইকেট ছিল; কামিন্স টানা ১২ ওভার মেডেন দেওয়ার চেষ্টা করেন। চ্যানেল ২৪ জানায়, এই জয়ের ফলে প্রায় ১১ বছর পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকার। বাংলা ট্রিবিউন জানায়, দুজন বোলার—রাবাদা ও হারমার—এর তোপে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে যায়। আজকের পত্রিকা জানায়, রাবাদের আগুনঝরা বোলিংয়ের শুরু এবং হারমারের শেষটা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসের কারণ হয়েছিল।