ইনকিলাবের মতে, ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে শারজাহ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়। বাংলাদেশ টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় এবং ফাইনালে পৌঁছাতে কমপক্ষে ৪১ রানের জয় দরকার।
বাংলাদেশ একাদশে তিনজন খেলোয়াড়ের পরিবর্তন আনা হয়েছে: রিশাদ হোসেন, নুরুল হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেন বাদ দিয়ে আলিস আল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং পারভেজ হোসেন ইমন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আফগানিস্তানও ফাজালহাক ফারুকি ও জিয়াউর রেহমান আকবারির পরিবর্তে ইয়ামিন আহমেদজাই ও বিলাল সামি পাঠিয়েছে।
শুরুর উইকেট নিয়ে সূত্রে পার্থক্য রয়েছে। ইনকিলাবের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ওপেনার তানজিদ হাসান প্রথম বলেই শান্তের ক্যাচে আউট হন, এরপর ওমরজাই ২৩ বলে ১৫ রান করে তাওহিদ হৃদয়কে আউট করেন, যাকে ওমরজাই নিজেই ক্যাচ নেন; ফলে বাংলাদেশ ২৮ রানে ৪ উইকেট হারায়। অন্যদিকে আলোকিত বাংলাদেশ এবং ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে ইয়ামিনের প্রথম দুই ডেলিভারিতে তানজিদ (ক্যাচে, ধরা গেছেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ) ও সৌম্য সরকার (বোল্ড) দুজনই আউট হন, এবং ওমরজাই মাত্র ৪ রান করে। উভয় সূত্রই উল্লেখ করেছে যে এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাইফ হাসান ক্রিজে যোগ দেন।
স্কোরের হিসাবেও ভিন্নতা দেখা যায়। ইনকিলাব ২৮ রানে ৪ উইকেট উল্লেখ করেছে, আলোকিত বাংলাদেশ ৬ রানে ২ উইকেট এবং ঢাকা পোস্ট ৫ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট বলে জানিয়েছে।
বাংলাদেশের একাদশে তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম অন্তর্ভুক্ত। আফগানিস্তানের একাদশে রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকউল্লাহ আটাল, রেহমাত শাহ, হাশমাতউল্লাহ শাহিদি, আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, মোহাম্মাদ নাবি, রাশিদ খান, এএম গাজানফার, ইয়ামিন আহমেদজাই ও বিলাল সামি রয়েছে।
ইনকিলাব অনুসারে, বাংলাদেশকে ফাইনালে পৌঁছাতে কমপক্ষে ৪১ রানের জয় দরকার।






