প্রাক‑ইসলামিক আরবের কবিরা সামাজিক মর্যাদা ও গৌরব অর্জন করতেন, তবে কোরআনে কিছু কবিকে ‘বিভ্রান্ত’ বলে সমালোচনা করা হয়েছে (সুরা শুআরা ২২৪)। এই সমালোচনা সব কবির জন্য নয়; মূলত মূর্তিপূজা, মিথ্যা ও অহংকার প্রচারকারী কবিদের লক্ষ্য করা হয়েছে (ইবনে কাসির, তাফসিরুল কুরআনিল আজিম)।
এরপরেও, রাসুল (সা.) হাসসান ইবনে সাবিতের মতো কবিদের মসজিদে বিশেষ মিম্বর (নববিতে) স্থাপন করে তাদের কবিতা পাঠের সুযোগ দেন। হাদিসে উল্লেখ আছে যে রাসুল (সা.) হাসসানের কাছে বলেছিলেন, ‘তুমি কাফিরদের কবিতার মাধ্যমে জবাব দাও, জিবরাইল তোমার সঙ্গে আছেন’ (সহিহ বুখারি ৩২১৩)। একইভাবে, কাব ইবনে মালেক ও আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.)-কেও দরবারের শীর্ষ কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ইমাম আল‑কুরতুবি (আল‑জামি লিআহকামিল কুরআন) উল্লেখ করেন, যখন কবিতা সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের পথে আহ্বান করে, তখন তা ইবাদতের মর্যাদা পায়। আরবের গোত্রীয় কবি সংস্কৃতিতে এই দ্বৈত দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়।
এই তথ্য প্রথম আলো থেকে নেওয়া হয়েছে।






