আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর নভেম্বরে ইরানে নতুন করে হামলা চালাতে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছে। নিউইয়র্ক টাইমসকে মার্কিন কর্মকর্তারা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের হवाले এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বল্প সময়ে ব্যাপক ও তীব্র সামরিক অভিযান চালানো হবে। লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে থাকতে পারে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভান্ডার। কর্মকর্তারা মনে করেন, এই হামলা ইরানের অর্থনীতিকে চরম সংকটে ফেলতে পারে এবং তেহরানকে কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরতে বাধ্য করতে পারে।

ট্রাম্পের অনুমোদন এবং ইসরায়েলি নির্বাচনের প্রভাব

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন হামলাকে অনুমোদন দেবেন কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তিনি চলতি বছরে একাধিকবার বড় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনায় ভেটো দিয়েছেন। একই সময়ে ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নির্বাচন হওয়ার কারণে নতুন যুদ্ধের পরিকল্পনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, নেতানয়াহু নির্বাচনে হেরলে তিনি অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন যুদ্ধ শুরু করতে পারবেন না।

ইরানের প্রতিক্রিয়া এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি

ইরানি কর্মকর্তারা হামলা হলে পাল্টা আক্রমণের পরিধি বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন, যার লক্ষ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জাহাজ, তথ্যকেন্দ্র এবং সমুদ্রের ইন্টারনেট কেবল থাকতে পারে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) 'ফাদার অব অল বোম্বস' নামে একটি নতুন অস্ত্র উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এদিকে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট সৌদি আরব থেকে অগরুরি নয় এমন কূটনীতিক কর্মচারী ও তাদের পরিবারকে দেশ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বুধবার সৌদি আরবের দাম্মামে কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় কমপক্ষে একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছে। পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি বহুপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।