আজকের পত্রিকা জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত সোমবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কয়েক ডজন যুদ্ধবিমানকে ইরানের সীমান্ত পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে সামরিক মহড়া সম্পন্ন করেছে। বিমানগুলো ইসরায়েল থেকে ৮০০ মাইলেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে সিরিয়া ও ইরাকের আকাশসীমা পেরিয়ে ইরানের সীমান্তে পৌঁছায় এবং পরে ফিরে আসে।

সূত্র অনুসারে, দুই দেশ নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের জ্বালানি, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামোকে স্বল্প‑সময়ের মধ্যে তীব্র আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা করেছে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিকল্পিত অভিযানটি স্বল্পস্থায়ী হলেও অত্যন্ত তীব্র হবে এবং তেহরানের শাসনব্যবস্থার পতনকে লক্ষ্য করে।

মিডল ইস্টে সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র নভেম্বরের গোড়ার মধ্যে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরি ও ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড উভচর সামরিক জাহাজ মোতায়েন করেছে। এছাড়া, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার সম্ভাবনা নিয়ে হুমকি জানিয়ে, সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট কেবল কেটে দেওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে, যা বৈশ্বিক আর্থিক ও স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এই কেবলগুলোকে "বৈধ নতুন লক্ষ্যবস্তু" বলে উল্লেখ করেছেন।

সৌদি আরবে প্রথম ছয় মাসে ৯৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখ্য, উপরের সব তথ্য আজকের পত্রিকা সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে।