আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ফ্লরিডার একটি নির্বাচনী র্যালিতে ইরানের ওপর নতুন সৈনিক অভিযান চালু করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরেকটি "ছোট" সৈনিক অপারেশন চালাতে পারে।

"এপিক ফিউরি" পুনরায় হতে পারে

র্যালিতে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, "আমরা আরেকটি ছোট এপিক ফিউরি করতে পারি।" এপিক ফিউরি হলো গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকি সৈনিক অভিযানের নাম। তিনি আরও বলেন, ইরান থেকে ফিরে আসার পর কিউবা সমস্যার সমাধান করবেন।

বিশেষজ্ঞরা বড় স্ট্রাইকের আশঙ্কা করছেন

বিএসএস/এএফপি রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের সুজান ম্যালোনি মনে করেন নভেম্বর ৩-এ মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের ওপর বড় স্ট্রাইক হতে পারে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত সৈনিক সম্পদ এবং বাহিনী মিডল-ইস্টে তরত করার কথা উল্লেখ করেছেন। মিডল-ইস্ট ইনস্টিটিউটের জেসন ক্যাম্পবেলও gầnামুখে স্ট্রাইক বা ইরান-হৌথি হামলার সম্ভাবনা দেখছেন।

সামরিক বাহিনীর তরত

ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট যাহাজের মিডল-ইস্টে তরত করা হচ্ছে, যা ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের সংখ্যা তিন করাতে পারে। একই সাথে একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। ইসরায়েলি বিমানও gầnামুখে ইরানের ওপর হামলার অনুকরণ করে "শো অফ ফোর্স" করেছে।

প্রেক্ষাপট

সেপ্টেম্বর 초 থেকে কোনো বড় ভূমি-ভিত্তিক হামলা হয়নি, কিন্তু আমেরিকা ইরানের বন্দর নাকাবন্দি করছে এবং ইরান হরমুজ স্ট্রেইট নিয়ন্ত্রণ চেষ্টা করছে। এই যুদ্ধ আমেরিকায় অলোকপ্রিয়, ইন্ধনের দাম বেড়েছে এবং ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য নির্বাচনী ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।