ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সেনা মেজর নিদাল হাসান, যিনি ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুডে ১৩ সৈন্যকে গুলি করে হত্যা করেন এবং ৩২ জনকে আহত করেন, তার মৃত্যুদণ্ড ৩ ডিসেম্বর ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকর করা হবে। পূর্বে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই দণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার ঘোষণা করলেও, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন যে তিনি এই পরিকল্পনা বাতিল করেছেন।

ট্রাম্পের মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত

ট্রাম্পের প্রকাশ্য মন্তব্যে তিনি বলেন, “অনেক ভালো এবং সভ্য মানুষ তার মৃত্যু দেখতে চায় না। যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী এবং হাসানের মতো ব্যক্তিদের কীভাবে শাস্তি দেয়, আমি মনে করি এই দণ্ড কার্যকর সরাসরি দেখালে বিশ্বব্যাপী একটি শক্তিশালী বার্তা যেত। তবে এটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে না।” তিনি আরও যোগ করেন, মৃত সৈন্যদের পরিবারকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে দণ্ড দেখার অধিকার থাকবে।

আজকের পত্রিকা অনুসারে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তটি পিট হেগসেথের পূর্বের ঘোষণার বিপরীত এবং ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে প্রকাশ পেয়েছে। একই প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে, ট্রাম্প প্রথমে এই সম্প্রচার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ছিলেন না এবং পেন্টাগনের সঙ্গে আলোচনা করে শেষমেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন।

অতিরিক্ত তথ্য ও মতামত

আজকের পত্রিকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিদাল হাসান গুলিতে আহত হওয়ার পর কোমর থেকে নিচের অংশে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন। এছাড়া, পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানান, ট্রাম্প ও হেগসেথের মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন।

সিএনএনের রিপোর্টে দেখা যায়, ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টাদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের দৃশ্য সম্প্রচার নিয়ে বিতর্ক চলছিল। একই সময়ে, এক জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক এবং ৬৪ শতাংশ রিপাবলিকান ভোটার মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচারকে বিরোধিতা করেছেন।

এই সব তথ্য ঢাকা পোস্ট, আজকের পত্রিকা এবং সিএনএনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।