দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটির আগেই সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটক পৌঁছেছেন, সমুদ্রসৈকতে ঢেউ, বিস্তীর্ণ বালুচর এবং নীল জলরাশির টানে দেশব্যাপী ভ্রমণকারীরা আনন্দ উপভোগ করছেন।

সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে ঢাকা ধানমণ্ডি থেকে আসা হুজাইফা আমিন, তাসফিয়া জান্নাত, শামীম আহমেদ এবং রখি রহমানসহ বিভিন্ন পর্যটক পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছেন এবং ছবি তুলছেন।

লাইফগার্ড সুপারভাইজার সাইফুল্লাহ সিফাত জানান, সমুদ্রের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো, তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভাটার সময় লাল পতাকা টাঙানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ওসমান গনি উল্লেখ করেন, শুক্রবার বিকেল থেকে সৈকতে মানুষের ভিড় বেড়ে গেছে এবং আবহাওয়া ভালো হওয়ায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

কক্সবাজার হোটেল‑মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনের পূজা ছুটিতে প্রতিদিন এক লাখের বেশি পর্যটক আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা পাঁচ দিনে ছয় লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, জেলায় ৫০০‑এর বেশি হোটেল‑মোটেল ও কটেজ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৮০% কক্ষ ইতিমধ্যে বুকেড।

জেলা পর্যটন সেলের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পর্যটন শিল্পের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, এবং অতিরিক্ত দাম নেওয়া ও হয়রানি রোধে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে।

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি ঝর্ণা সহ অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রেও ভিড় দেখা যায়, যা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নতুন আশাবাদ এনে দিয়েছে।

— সমকাল অনুসারে