আজকের পত্রিকা অনুসারে, শ্রীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার সিড্যা ইউনিয়নের বাসিন্দা মারুফ ব্যাপারী (বয়স ৫০) দক্ষিণ আফ্রিকায় কেপটাউনের বুস্টার এলাকার কাছাকাছি জুলুটেম্বা অঞ্চলে তার ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। গতকাল (বুধবার) রাতে তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গুলি চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরিবার ও প্রবাসী স্বজনের মতে, তিনি চাঁদা (সুরক্ষা অর্থ) দিতে অস্বীকার করার কারণে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।
মৃত্যুর পর, মারুফের দেহ দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি স্থানীয় হাসপাতালে রাখা হয়েছে এবং পরিবার এখনো তার দেহ দেশে ফেরত আনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানে না। স্বজনরা বাংলাদেশ সরকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দূতাবাসের হস্তক্ষেপ চেয়ে তাদের হত্যার যথাযথ তদন্ত ও দেহের দ্রুত প্রত্যাবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
বিবাদিত তথ্য
অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে কিছু তথ্য ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। ইত্তেফাক (ইত্তেফাক) অনুযায়ী, শ্রীয়তপুরের ব্যবসায়ীর নাম মারুফ বেপারি এবং তার বয়স ৪৩, এবং ঘটনাটি বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০ টায় ঘটেছে। দেশ রূপান্তর (দেশ রূপান্তর) ও ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা (ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা) একইভাবে ঘটনার সময় রাত ১০ টা এবং সিড্যা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রুবেল আকনকে সূত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে। মূল সূত্র (আজকের পত্রিকা) এ তথ্যগুলো উল্লেখ করে না।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকায় চাঁদা (প্রতিরক্ষা অর্থ) নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওপর হিংসা ঘটার অভিযোগ স্বজনদের দ্বারা পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এ বিষয়ে কোনো সরকারি বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।






