আজকের পত্রিকা অনুসারে, সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ৩৮ বছর বয়সী ওয়াহেদুজ্জামান সানা ওরফে শামীমের পিটিয়ে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন।
সিনিয়র বিচারিক হাকিম নুসরত জাহান (তৃতীয় আদালত) রাত্রি সাতটায় তার ব্যক্তিগত কক্ষে জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং প্রায় দুই ঘণ্টা পর, রাত দশটায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ফজলুল হক আমিনী, যিনি দেবহাটার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রাম থেকে রুহুল আমিনের পুত্র এবং মোটরসাইকেল চালক, ১৭ অক্টোবর রাত ১১টার কাছাকাছি কালীগঞ্জের ফরিদপুর গ্রাম থেকে বসির আহম্মেদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন। তার গ্রেপ্তার ও আদালতে হাজির হওয়া সম্পর্কে দেবহাটা থানার উপপরিদর্শক আল আমিন (এসআই) ও সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক উভয়েই তথ্য দেন।
স্বীকারোক্তির মূল বিষয়
জবানবন্দিতে আমিনী দাবি করেন শামীম নাস্তিক ছিলেন এবং হত্যার কোনো পূর্বনির্ধারিত উদ্দেশ্য ছিল না; ঘটনাটি ‘এক্সিডেন্টলি’ ঘটেছে। তিনি স্বীকার করেন যে আইনি দৃষ্টিতে তিনি অপরাধী, তবে আল্লাহর দৃষ্টিতে তার অবস্থান আল্লাহই জানেন। এছাড়া তিনি অন্য সহ-অপরাধীদের নামও প্রকাশ করেন, যদিও তাদের নাম সূত্রে উল্লেখ করা হয়নি।
শামীমের মৃত্যু ১৩ অক্টোবর ঘটেছিল; তিনি সুবর্ণাবাদ গ্রামের শামছুর রহমান সানার পুত্র ছিলেন। তার বড় ভাই আব্দুল জলিল মামলাটি দেবহাটা থানায় দাখিল করেন, যেখানে ১০ জন নামযুক্ত এবং অতিরিক্ত ২০০‑২৫০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি তালিকাভুক্ত হয়েছে। ফজলুল হক আমিনীকে প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ইতিমধ্যে ৫ ও ৬ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার করেছে এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনদের ধরতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্তভাবে, বৃহস্পতিবার রাত ৩:৩০ টায় মোক্তার হোসেন খান এবং ভোরে ৫ টায় আসাদুল ইসলাম মোল্যা গ্রেপ্তার হয়ে একই দিনে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এই তথ্যগুলো আজকের পত্রিকা এবং ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা ও একাত্তর টিভি সহ অন্যান্য স্থানীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংকলিত।






