ইনকিলাবের প্রতিবেদন অনুসারে, পাঞ্জাবের সতবিন্দর কুমার ও হরজিৎ সিং ২০১৯ সালে সৌদি আরবে শিরচ্ছেদ করা হয়। তারা ২০১৫ সালের ৯ ডিসেম্বর সৌদি পুলিশের হাতে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন এবং রিয়াদের কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত হয়ে আদালতে দোষ স্বীকার করেন। ৩১ মে ২০১৭ তারিখে ভারতীয় দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি আদালতে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে প্রসিকিউশন অতিরিক্ত 'হিরাবাহ' অভিযোগ যুক্ত করে মামলাটি আপিল আদালতে পাঠায়। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শিরচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার পর ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পরিবারের কাছে তথ্য পৌঁছায় না; প্রায় দেড় মাস পরে, ১৭ এপ্রিল, ভারতীয় মিডিয়ায় এই খবর প্রকাশ পায়।
ইনকিলাব উল্লেখ করে, ভারতীয় কনস্যুলার বিভাগের তৎকালীন পরিচালক প্রকাশ চাঁদ সীমা রানির পরিবারকে শিরচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠান। তবে সৌদি আইনের কঠোরতা ও দেহ হস্তান্তরের কোনো বিধান না থাকায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের লাশ ফেরত আনার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং ঘটনাটিকে ‘বর্বরোচিত ও অমানবিক’ বলে নিন্দা করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
সৌদি আরবে জরুরি সাইরেন সতর্কতা
একাত্তর টিভি অনুসারে, একই সময়ে সৌদি আরবের মেসি-সিভিলিয়ান ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট মক্কা, জেদ্দা এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলের চারটি প্রধান শহরে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সাইরেন জারি করে জরুরি সতর্কতা জানায়। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই নতুন নোটিশে এই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
উপরের দুই ঘটনাই সৌদি আরবে ঘটেছে, তবে তাদের প্রকৃতি ও প্রভাব ভিন্ন। প্রথমটি আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক প্রশ্ন উত্থাপন করে, আর দ্বিতীয়টি নিরাপত্তা সতর্কতা সংক্রান্ত।
উল্লেখিত তথ্য ইনকিলাব ও একাত্তর টিভি উভয়ের সূত্রে ভিত্তিক।






