সমকাল অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৯০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এএফপি হवाले জানানো হয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ১১৬ জন মাদক চোরাচালানের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ছিলেন এবং তাদের মধ্যে ৮০ জন বিদেশি নাগরিক।

জনকণ্ঠের প্রতিবেদনেও এই তথ্যের পুষ্টি করা হয়েছে। এএফপি বিভিন্ন সময়ে কার্যকর হওয়া মৃত্যুদণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করেছে, তবে দণ্ডপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকদের দেশভিত্তিক পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

সম্প্রতি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, কিন্তু এএফপির রিপোর্টে স্পষ্ট করা হয়নি যে তারা ১৯০ জনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন কিনা। গত শনিবার সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগে ইস্টার্ন প্রовин্সে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

এছাড়া কিশোর বয়সে আরব বসন্তের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সৌদি নাগরিক ইউসেফ আল-মানাসিফ (৩০) বর্তমানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অপেক্ষায় আছেন। এএফপি লিখেছে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের প্রায় প্রতিদিনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি কর্তৃপক্ষ জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মৃত্যুদণ্ডকে প্রয়োজনীয় মনে করেন এবং আপিলের সুযোগ শেষ হওয়ার পরই দণ্ড কার্যকর করা হয় বলে দাবি করেন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চীন ও ইরানের পর সৌদি আরব বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশ ছিল। গত জানুয়ারি থেকে সৌদি আরবে সন্ত্রাসবাদের দায়ে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশ পূর্বাঞ্চলে। গত বছর সেখানে ৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল।