দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে কক্সবাজার, কুয়াকাটাসহ দেশের পাহাড়ি ও উপকূলীয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। এতে দীর্ঘদিন পর মন্দা কাটিয়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে দেশের পর্যটন খাত। ইনডিপেনডেন্ট টিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে শতভাগ রুম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
কক্সবাজারের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী সৈকত পয়েন্টে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দর্শনার্থীরা সাগরের ঢেউ উপভোগের পাশাপাশি দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন দেখার আনন্দও উপভোগ করছেন। ডেইলি অবজারভারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার ছুটির প্রথম দিন থেকেই কক্সবাজারে পর্যটকদের আগমন শুরু হয়। পাঁচ দিনের এই ছুটিতে সাত লাখেরও বেশি পর্যটক জেলাটিতে আসতে পারেন বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ইনডিপেনডেন্ট টিভি শতভাগ বুকিংয়ের কথা বললেও, ডেইলি অবজারভার উল্লেখ করেছে যে কক্সবাজারের ৯০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে।
এদিকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় চার লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ, খাগড়াছড়ির আলুটিলা গুহা, সাজেক ভ্যালির রুইলুই পাড়া এবং বান্দরবানের মেঘলা, নীলাচল ও চিম্বুকেও প্রচুর দর্শনার্থী দেখা গেছে। আগামী ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত রাঙামাটি ও পাহাড়ি এলাকার হোটেল-কটেজগুলোতে কোনো কক্ষ ফাঁকা নেই।
ইনডিপেনডেন্ট টিভিকে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন রাঙামাটির ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা, হয়রানি রোধ ও সুষ্ঠু সেবা প্রদানে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পর্যটকদের এই ঢলে হোটেল কর্মী, নৌকার মাঝি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে।






