ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, পাবনা দোগাছী ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামে ১০ বছর বয়সী শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার পরে প্রধান আসামি মোস্তফা কামালের দুইতলা বাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। ভাঙচুরের কাজ ১৮ সেপ্টেম্বর জুমার নামাজের পর শুরু হয়ে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলেছে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে বাড়িটি সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে; ফাউন্ডেশনের রড পর্যন্ত কেটে নেওয়া হয়েছে এবং ইট-সিমেন্ট, বালি গাড়িতে করে অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয় শ্রমিক সলিম প্রামানিক জানান, "মোস্তফা যে পাপ করেছে তার শাস্তি হিসেবে তার বাড়ি আমরা রাখিনি, এখন মাটি নিয়ে গিয়ে রাস্তায় ব্যবহার করব এবং এখানে পুকুর তৈরি করব।" মাধপুর এলাকার রুবেল হাসানও একই রকম মন্তব্য করে, "ধর্ষক ও খুনির বাড়ির কোনো চিহ্ন থাকবে না; এখানে পুকুর হয়ে যাবে, নিদর্শন হিসেবে রাখা হবে।"

শিশুর আত্মীয়দের মতে, তদন্ত এখনও শেষ হয়নি এবং চার্জশিট এখনও দাখিল হয়নি। শোকাহত দাদা আব্দুস সোবহান এবং আরেক আত্মীয় রমজান আলী দ্রুত তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চালানোর দাবি জানিয়ে প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন।

পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আব্দুস সালাম জানান, ফরেনসিক রিপোর্ট হাসপাতাল থেকে আসছে এবং শীঘ্রই চার্জশিট দাখিল করা হবে।

পূর্বে ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি নিখোঁজ হয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর তার দেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ মোস্তফা কামাল ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিন আলীকে গ্রেপ্তার করে, এবং মোস্তফা রিমান্ডে ধর্ষণ ও হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। ফরেনসিক রিপোর্ট আদালতে জমা হবে।

চ্যানেল ২৪ের একই ঘটনার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাড়ি ধ্বংসের পর মাটি নেয়া জনগণের কাজ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই তথ্যগুলো ঢাকা টাইমসের সূত্রে এবং চ্যানেল ২৪ের সমান্তরাল প্রতিবেদনে ভিত্তিক।