প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টায় রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা অনুসারে, তিনি নির্ধারিত দুপুর ১টার আগমনের সময়সূচি থেকে দেরি হওয়ায় পরিকল্পিত রাজশাহী ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন ও সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নবিরতির কর্মসূচি বাতিল করে সরাসরি ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় অংশ নেন।
জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এবং আখচাষিদের মধ্যে প্রণোদনার অর্থ বিতরণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিমানবন্দর থেকে শহরের প্রধান রাস্তাগুলো পিচ ঢালাই, রং করা, ড্রেন মেরামত এবং ফুটপাত থেকে হকারদের সরিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে; মাদ্রাসা মাঠে বড় মঞ্চ নির্মাণ এবং উঁচু-নিচু অংশ সমান করা হয়েছে। এই কাজগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীরা তদারকি করেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ, মহানগর পুলিশ কমিশনার ফয়জুল কবির, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশ সুপারইন্টেনডেন্ট মো. মামুন অর রশিদসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম আলো ও সারাবাংলা অনুসারে, রাজশাহী সফরের পর প্রধানমন্ত্রী সামরিক বিমানে চট্টগ্রামের দিকে রওনা হন; উভয় সূত্রই উল্লেখ করেছে যে তিনি সন্ধ্যা ৭:৪০টায় রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। চট্টগ্রামে তিনি শারদীয় দুর্গোৎসবের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেন।
এই তথ্য ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, প্রথম আলো এবং সারাবাংলা অনুসারে সংকলিত।






