বাংলা ট্রিবিউন অনুসারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, রাজশাহী সফরে হিন্দু ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাবেন। এরপর বিকেল ৩টায় শহরের ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। সফরের শেষের দিকে তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

সফরকে কেন্দ্র করে শহরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে; রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন সড়ক মেরামত ও রঙ করা কাজ সম্পন্ন করেছে এবং জনসভা মঞ্চের জন্য বড় মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে; বিমান অবতরণের স্থান, ভিআইপি চলাচলের পথ, ধর্মসভা মন্দির, সার্কিট হাউস এবং জনসভাস্থলকে নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় ৪০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর পুলিশ ট্রাফিক জ্যাম এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থাপনা চালু করেছে।

সফরের বিস্তারিত সময়সূচি

একাত্তর টিভি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সকাল ৯টায় সামরিক বিমানে সৈয়দপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং ৯:৫০টায় সৈয়দপুরে অবতরণ করেন। সৈয়দপুর থেকে রংপুরের রাধা গোবিন্দ মন্দিরে ধর্মসভা পরিদর্শনের পর, তিনি দুপুর ২:২০টায় আবার বিমান থেকে রওনা হয়ে ২:৫৫টায় রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। একাত্তর টিভি আরও জানায় যে, বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের নজরুল ইসলাম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম সহ বহু সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। মূল বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদনে এই সময়সূচি ও উপস্থিত ব্যক্তিদের উল্লেখ নেই।

মিজানুর রহমান (মিনু), যিনি ভূমি মন্ত্রী ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য, সফরকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন এবং জনসভায় রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা, রাজশাহী থেকে কলকাতা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম রুটে সরাসরি তিনটি ট্রেন চালু এবং রাজশাহী বিমানবন্দরে কার্গো বিমান চলাচলের ব্যবস্থা করার মতো দাবি তুলে ধরার কথা জানান।

সফরের সব তথ্য বাংলা ট্রিবিউন, একাত্তর টিভি ও সমকালের প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে; যেখানে সময় ও উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্যের পার্থক্য রয়েছে, তা যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।