এই তথ্য বাসস (বিএসএস) অনুসারে, ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এ ফ্রান্সের প্যারিসে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও তরুণদের উদ্বেগের প্রতিবাদে বৃহৎ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের শুরুতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকলেও শেষ পর্যায়ে প্রায় দুই ঘণ্টা গ্যাস ও লাঠি ব্যবহার করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। বাসসের এএফপি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বৃষ্টির মধ্যে ট্রামস্টপের ছাউনি নিচে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী কাঁদানে গ্যাসের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন রাস্তায় দৃশ্য দেখছিলেন, যার মধ্যে ২৩ বছর বয়সী মাইক এবং ২৪ বছর বয়সী জেসিকা অন্তর্ভুক্ত।

মাইক বলেন, “ফ্রান্সের বয়স্ক জনগোষ্ঠী আমাদের অবহেলা করছে।” জেসিকা যুক্তি দেন, “প্রতিবাদ করার অধিকারকে দমন করা হচ্ছে।” একই বিক্ষোভে ডেভিড নামের এক অংশগ্রহণকারীকে লাঠি আঘাত করে আহত করা হয়েছে। বাসসের তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহ আগে ফ্রান্সজুড়ে প্রায় ৭০,০০০ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয় এবং প্যারিসের মূল মিছিলে ১,১০,০০০ থেকে ২,৫০,০০০ মানুষ অংশ নেয় বলে শ্রমিক ইউনিয়ন সিজিটি ও কর্তৃপক্ষের পৃথক হিসাব রয়েছে।

একাত্তর টিভির প্রতিবেদন

একাত্তর টিভি অনুসারে, একই দিনে আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় দাঙ্গা ও বিক্ষোভের সময় পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। প্রতিবাদকারীরা শিক্ষা, দুর্নীতি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়, পাথর নিক্ষেপ করে এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রধান ফটকে আগুন জ্বালায়। এই ঘটনায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ঘটে।

দুটি প্রতিবেদনের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল স্থান ও প্রেক্ষাপট: বাসস প্যারিসে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও যুব উদ্বেগের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে, যেখানে একাত্তর টিভি তিরানায় দুর্নীতি ও বেকারত্বের প্রতিবাদকে তুলে ধরে। উভয়ই পুলিশের গ্যাস ও লাঠি ব্যবহারকে উল্লেখ করেছে, তবে অংশগ্রহণকারী ও ঘটনার সংখ্যা ভিন্ন।

উল্লেখযোগ্য যে, উভয় সূত্রই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তরুণদের উদ্বেগ ও পুলিশের সহিংসতার প্রতি নিন্দা প্রকাশ করেছে।