ইত্তেফাকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা‑৪ (দেবিদ্বার) সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ) বলেছেন যে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় উগ্রবাদ পূর্বের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্র‑সমর্থিত রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, দলটির ক্ষমতাচ্যুতির পর (৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর) তিন বছর ধারাবাহিকভাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দুর্গাপূজা কোনো বাধা ছাড়াই উদযাপন করছেন, যা পূর্ব শাসনের নাশকতা পরিকল্পনা না থাকায় সম্ভব হয়েছে।
আসামের মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর উচ্ছেদ
বার্তা২৪ এবং ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনসিপি নেতা ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, আসামের মুসলিম সম্প্রদায়ের বাড়ি ও মসজিদ উচ্ছেদের ব্যাপারে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন। বার্তা২৪ অনুসারে, ১,১০০টির বেশি বাঙালি মুসলিমের বাড়ি এবং ১০টিরও বেশি মসজিদ ধ্বংস হয়েছে; ঢাকা পোস্ট একই ঘটনাকে "১,১০০টিরও বেশি বাড়ি" এবং "১০টিরও বেশি মসজিদ" হিসেবে উল্লেখ করেছে। উভয়ই এই উচ্ছেদকে হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিবাদ ও পরিকল্পিত নিপীড়নের অংশ বলে সমালোচনা করেছে।
নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেছেন যে, উচ্ছেদকালে কিছু পরিবারকে ডিটেইনমেন্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে এবং পুনর্বাসন ব্যবস্থা যথাযথভাবে না করা হয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে এই নিপীড়নের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহও জোর দিয়ে বলেছেন যে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে করা অপরাধের শিকার মূলত সাধারণ নাগরিক। তিনি আইনশৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচারকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে, সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
উল্লেখিত উভয় মন্তব্যই ইত্তেফাক, বার্তা২৪ এবং ঢাকা পোস্টের প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে সংকলিত হয়েছে।






