আজকের পত্রিকা জানাচ্ছে যে, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) বদলে মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষ (এমটিএ) গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬‑এর খসড়া সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে এবং এতে নগর পরিবহনের সব অনুমোদন‑প্রক্রিয়া এক সংস্থার হাতে সংহত করার বিধান রয়েছে।
খসড়ার মূল বিষয়বস্তু
খসড়া অনুসারে, নতুন কর্তৃপক্ষকে প্রকল্প অনুমোদন, বাস রুট পরিকল্পনা ও রুট পারমিট, ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি, ভাড়া নির্ধারণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বহুতল ভবন ও আবাসন প্রকল্পের ট্রাফিক পরিকল্পনা অনুমোদন, সড়ক নিরাপত্তা অডিট, দুর্ঘটনা তদন্ত ইত্যাদি ক্ষমতা প্রদান করা হবে। এছাড়া ১৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সংস্থা নগর পরিবহন উন্নয়ন প্রকল্প নিতে পারবে না।
ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমানের মতে, খসড়া প্রায় এক মাস আগে বিভাগে জমা হয়েছে এবং সংশোধনের পর লিখিত মতামত সংগ্রহের পর মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে; সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হলে আইন কার্যকর হতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
প্রফেসর আদিল মুহাম্মদ খান (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়) উল্লেখ করেছেন যে, নতুন কর্তৃপক্ষকে নগর‑পরিকল্পনার প্রধান সংস্থা বানালে ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ হতে পারে; তাই ডিটিসিএ ও অন্যান্য সংস্থার ভূমিকা সমন্বয় করা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্তব্য, ইউনিসেফের ক্যাথরিন রাসেল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উক্তি একই নিবন্ধে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তবে সেগুলি মূলত অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত।
খসড়ায় ৫০ ধারায় ২০১২ সালের ডিটিসিএ আইন বিলুপ্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ডিটিসিএর সম্পদ, অধিকার, কর্মচারী ইত্যাদি নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বিআরটিএ, সওজ, রাজউক, সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশের সঙ্গে দায়িত্বের সীমা স্পষ্ট না হলে ক্ষমতার ওভারল্যাপের ঝুঁকি থাকতে পারে।
এই তথ্যগুলো আজকের পত্রিকা অনুসারে সংগ্রহ করা হয়েছে।






