আজকের পত্রিকা অনুসারে, খুলনা তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পারহাজী গ্রামে শনিবার বেলা ১১টার দিকে যুবদল নেতা রামিম বিশ্বাস গুলিতে আহত হয়েছেন। রামিমের বয়স মূল প্রতিবেদনে ৩৩ বছর বলা হয়েছে, তবে প্রথম আলো, ইত্তেফাক ও চ্যানেল ২৪‑এ ৩২ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

রামিম বিশ্বাস পারহাজী গ্রামের হাবিবুর বিশ্বাসের পুত্র এবং মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি বলে স্থানীয় বিএনপি নেতা মোহাম্মদ বিল্লাল মোল্লা জানান। তার পিতার নাম মূল প্রতিবেদনে হাবিবুর বিশ্বাস, অন্যদিকে প্রথম আলোতে হাবিবুর রহমান উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের মতে, রামিম ‘বি কোম্পানি’ নামে পরিচিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং মাদক সংক্রান্ত বিরোধের ফলে গুলিবিদ্ধ হওয়া সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে। তেরখাদা থানা ওসি আহমেদ আলী বিশ্বাস জানান, রামিমের রাজনৈতিক জড়িততা, মাদক বিক্রি এবং ‘বি কোম্পানি’ সংযোগের সম্ভাবনা রয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রামিম ভ্যানে করে কোলাবাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন; পারহাজী গ্রামের প্রধান সড়কে পৌঁছানোর সময় মোটরসাইকেলে আসা দুজন দুর্বৃত্ত তাকে পেছন থেকে গুলি করে। গুলি তার পিঠের ডান পাশে লেগে, পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৯ ও ১০ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

পুলিশের অতিরিক্ত সুপারভাইজার আবির সিদ্দিকী (প্রথম আলো) ও তেরখাদা থানা ওসি আহমেদ আলী বিশ্বাস (আজকের পত্রিকা) উভয়ই ঘটনাস্থলে তদন্ত চালিয়ে আছেন এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার প্রচেষ্টা জানিয়েছেন।

গত ২২ অক্টোবর খুলনা নগরে ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইজনকে গুলিতে হত্যা করা হয়েছিল; তাওহিদুল ইসলাম তুষার (৩২) এবং খুশি বেগম (২৫) নিহত হয়। এছাড়া ২৩ অক্টোবর সম্রাট ঢালী (২৫) নামে এক যুবক চুরির সময় ছাদ থেকে লাফ দিয়ে মারা যান, যা খুলনা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটায়।

এই ঘটনার পাশাপাশি, সুন্দরবনের গোলখালী এলাকায় কোস্ট গার্ড হরিণের মাংস, মাথা ও পাসহ চামড়া জব্দ করেছে (কোস্ট গার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজনের তথ্য)।

উল্লেখ্য, গুলিবিদ্ধ রামিম বিশ্বাসের ঘটনা সম্পর্কে বিভিন্ন আউটলেটের তথ্যের মধ্যে বয়স ও পিতার নামের পার্থক্য রয়েছে; এ পার্থক্যগুলো সংশ্লিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।