প্রথম আলোতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির নারায়ণগঞ্জের মিশনপাড়া এলাকায় রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সোমবার রাতের সাক্ষাৎকারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানান। তিনি মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় থাকবে না বলে জোর দেন।
গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা প্রস্তুতি
আইজিপি উল্লেখ করেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় গোয়েন্দা সংস্থা—ডিজিএফআই, এনএসআই ও পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি)—চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও সন্ত্রাসীদের সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করবে। তালিকাভুক্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং আদালত নিশ্চিত করবে যে তারা দীর্ঘমেয়াদে জামিন পাবে না।
মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গীর ওপর নজর রাখার পরামর্শ দেন। এছাড়া পাড়ার স্তরে এবং স্কুল‑কলেজে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুর্গাপূজা নিরাপত্তা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আইজিপি বলেন, পূজায় কোনো হুমকি নেই, তবে দুষ্ট চক্রের অপতৎপরতা রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, এবং আমলাপাড়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে একই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রস্তুত করে সমন্বিত অভিযান চালানোর পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে কিশোর গ্যাং দমনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ওসি নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে—যা মূল সূত্রে উল্লেখিত নয়।
বার্তা২৪ের কভারেজও আইজিপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এবং চাঁদাবাজি‑সন্ত্রাসে কোনো ছাড় না দেওয়ার মূল বিষয়কে পুনরায় তুলে ধরেছে।






