বিএসএসের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে খুলনা শহরে আইজিপি (ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ) মি. আলী হোসেন ফকির কার্যকর এবং মানুষ‑মুখী পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, পুলিশকে জনবিশ্বাস পুনর্গঠন এবং সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হবে।
খুলনায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা
ধাক্কা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুসারে, একই দিনে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনসের সামনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আইজিপি উল্লেখ করেন যে, অতীত ১৭ বছর ধরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে গড়ে ওঠা ফাঁকটি পূরণ করা জরুরি। তিনি আগস্ট ৫ তারিখের পর পুলিশ পুনরায় দৃঢ়তা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান।
আইজিপি এছাড়াও সরকার কর্তৃক গৃহীত শূন্য‑সহনশীলতা নীতি অনুসারে মাদক, জবরদস্তি, কিশোর গ্যাং এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি কমিউনিটি পুলিশিং সদস্যদের দ্বারা কিছু সময়ে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি, হুমকি ও অর্থ আদায়ের অভিযোগের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "এমন ঘটনা আবার ঘটবে না" এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে কার্যক্রম চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
সভায় খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মি. রেজাউল করিম, পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, খুলনা কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) এ.কে.এম. মুশাররফ হোসেন মিয়াজে এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মি. শাজ্জাদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
ঢাকায় লেবার পার্টির নিরাপত্তা উদ্বেগ
অন্যদিকে, ঢাকা পোস্টের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একই দিনে (শনি, ২৪ অক্টোবর) ঢাকা তোপখানা রোডে বাংলাদেশ লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি সমন্বয় সভায় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচালনা ব্যর্থতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অপরাধের বৃদ্ধি, মাদকের বিস্তার এবং নিরাপত্তাহীনতা সাধারণ মানুষের জীবনে হুমকি সৃষ্টি করছে।
লেবার পার্টি প্রতিনিধিরা সরকারকে অপরাধ দমনে, মাদক নিয়ন্ত্রণে এবং পুলিশিংয়ের পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা বাড়াতে ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান। এই বক্তব্যগুলো ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী উপস্থাপিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, উভয় প্রতিবেদনে উল্লেখিত তারিখ ও স্থান ভিন্ন; একটি খুলনা শহরে পুলিশিং সংক্রান্ত সভা, অন্যটি ঢাকায় লেবার পার্টির নিরাপত্তা উদ্বেগের আলোচনা। উভয়ই ২৪ অক্টোবরের ঘটনাবলী হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
বিএসএস অনুযায়ী, আইজিপি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য হল জনবিশ্বাস পুনর্গঠন এবং সমাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।





