ইত্তেফাকের রিপোর্ট অনুসারে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২১ অক্টোবর ২০২৬-এ ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নারী U19 টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশ ও নেপাল যৌথভাবে আয়োজিত হবে এবং মোট ১৬ দল অংশগ্রহণ করবে।

ভেন্যু ও ম্যাচের বণ্টন

ইত্তেফাকের মতে, টুর্নামেন্টটি তিনটি শহরে চারটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম, মুলপানি এবং কির্তিপুর। মোট ৪১টি ম্যাচের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মধ্যে চট্টগ্রামে ১৪টি, সিলেটে ১২টি, মুলপানিতে ৮টি এবং কির্তিপুরে ৭টি ম্যাচ হবে। অন্যদিকে, ঢাকা পোস্টের তথ্য অনুযায়ী ভেন্যুগুলো সিলেট, চট্টগ্রাম এবং নেপালের কাঠমান্ডু (কাঠমান্ডু) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং মুলপানি ও কির্তিপুরের উল্লেখ নেই। উভয় সূত্রই মোট ৪১টি ম্যাচের সংখ্যা উল্লেখ করেছে, তবে ভেন্যুর নামের পার্থক্য যাচাই করা প্রয়োজন।

খোলার ম্যাচ এবং গ্রুপের গঠন

উভয় সূত্রই নিশ্চিত করেছে যে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ ২১ জানুয়ারি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে হবে। ঢাকা পোস্ট অতিরিক্তভাবে জানিয়েছে যে একই দিনে বাংলাদেশ নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে, যদিও ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। গ্রুপের গঠন উভয়ই একই: ‘এ’ গ্রুপে ভারত, নেপাল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ড; ‘বি’ গ্রুপে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া; ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত; ‘ডি’ গ্রুপে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড।

টুর্নামেন্টের সময়সূচি

ইত্তেফাকের তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে, এরপর সুপার সিক্স পর্যায় শুরু হবে। সুপার সিক্সে প্রতিটি দল দুইটি ম্যাচ খেলবে এবং গ্রুপের চতুর্থ স্থান পাওয়া দল একটি প্লে-অফের সুযোগ পাবে। সেমিফাইনাল ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, রিজার্ভ ডে ৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত। ফাইনাল ৬ ফেব্রুয়ারি একই ভেন্যুতে হবে, রিজার্ভ ডে ৭ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে। ঢাকা পোস্টের সময়সূচি একই রকম, তবে ভেন্যু হিসেবে কাঠমান্ডু উল্লেখ করেছে।

আইসিসি সিইওর মন্তব্য

ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে আইসিসি প্রধান নির্বাহী (সিইও) সংযোগ গুপ্তের মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত আছে: “অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উদীয়মান ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিজ্ঞতা অর্জনের দুর্দান্ত সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশ ও নেপালে বিশ্বমঞ্চের এই আসর নারী ক্রিকেটের গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করবে।”

উপরের তথ্যগুলো ইত্তেফাক ও ঢাকা পোস্টের প্রকাশিত তথ্যের সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে; ভেন্যু সংক্রান্ত পার্থক্য এবং উদ্বোধনী দিনের অতিরিক্ত ম্যাচের বিষয়ে উভয় সূত্রের বিবরণ আলাদা হওয়ায় তা উল্লেখ করা হয়েছে।