খুলনা শহরের টুটপাড়া গাছতলা মন্দিরের সামনে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এক মুদি দোকানি গুলিতে আহত হন। আজকের পত্রিকা অনুসারে, শিবপদ কুণ্ডুর ছেলে ধনঞ্জয় কুণ্ডু (যাকে আকাশ কুণ্ডও বলা হয়) ৪৫ বছর বয়সী, গুলির ফলে পেটের নাভির উপরে একটি গুলি আঘাত পেয়েছেন এবং তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানান, দুইজন যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে দোকানের দিকে এগিয়ে গুলি করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। খুলনা সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন অনুসারে, তদন্ত চলমান এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যান্য সূত্রের বিবরণ
ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা ও চ্যানেল ২৪-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই সময়ে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম আকাশ কুণ্ড (৪৫) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলকে টুটপাড়া ক্রস রোডের গাছতলা মন্দিরের সামনে হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। উভয়ই গুলির ফলে পেটের গুলি লাগার কথা উল্লেখ করেছে।
আজকের পত্রিকায় অতিরিক্ত তথ্য রয়েছে যে, গুলির পেছনে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের দীর্ঘদিনের চাঁদা দাবির অস্বীকারের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই দাবি অন্য কোনো সূত্রে নিশ্চিত করা হয়নি। তদুপরি, তেরখাদা থানার ওসি আহমেদ আলী বিশ্বাসের মতে, রামিম যুবদল ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে এই ঘটনা যুক্ত থাকতে পারে; তিনি 'বি কোম্পানি' ও মাদক বিক্রির উল্লেখ করেছেন, তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
অতিরিক্তভাবে, একই দিনে খুলনা এজাক্স জুটের সদস্য সম্রাট ঢালী (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে; তিনি চুরির সময় ছাদ থেকে লাফ দিয়ে গৃহে গিয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন। লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেনের মতে, এই ঘটনার সঙ্গে গুলিবিদ্ধ দোকানির ঘটনা সরাসরি সংযুক্ত নয়।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের মন্তব্যে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বল প্রয়োগ করলে পুলিশকে ফ্যাসিবাদী বলা হয়, আর বল না করলে মানুষ দুর্বল মনে করে; তিনি গত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব বাড়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
এই সব তথ্য আজকের পত্রিকা ও সংশ্লিষ্ট মিডিয়া সূত্রের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে।






